কুয়াশা ও অন্যান্য কারণে যদি নৌকা না চলে, তখন পরীক্ষা দিতে পারবে না পরীক্ষার্থীরা। সেই বিপদের কথা মাথায় রেখে পরীক্ষার আগেই দ্বীপ ছেড়েছে মৌসুনির বালিয়াড়া কিশোর হাই স্কুলের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা। পরীক্ষার্থীরা চিনাই নদী পেরিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রের কাছে ঘর ভাড়া নিয়ে থাকবে বলে চলে গিয়েছে। এ নিয়ে দেবীকা গিরি নামের পরীক্ষার্থী জানিয়েছেন, ঝামেলা এড়াতেই এই কাজ করেছেন তারা।
advertisement
এবছর মৌসুনির বালিয়াড়া কিশোর হাই স্কুলের চলতি বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষাকেন্দ্র নির্ধারিত হয়েছে নারায়ণীতলা ধনেশ্বর শিক্ষা সদনে। দ্বীপাঞ্চলে বসবাসের কারণে প্রতিদিন নৌকা বা লঞ্চে নদী পেরিয়ে মূল ভূখণ্ডে পৌঁছনোই তাদের একমাত্র ভরসা। কিন্তু শীতের সময় কুয়াশা ঘন হলে নদীপথে চলাচল ব্যাহত হয়, যার জেরে পরীক্ষায় পৌঁছতে দেরি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই পরিস্থিতি মাথায় রেখেই সকল পরীক্ষার্থী একসঙ্গে চিনাই নদী পার হয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। পরীক্ষার্থীদের নিরাপদ নদী পারাপারের জন্য বকখালি বন দফতরের পক্ষ থেকে বিশেষ লঞ্চের ব্যবস্থা করা হয়। নির্ধারিত সময়ে লঞ্চে করেই তারা নদী পার হয়। মৌসুনি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মানসী ভর্ট্টাচার্য, পঞ্চায়েত সমিতির বিদ্যুতের কর্মাধ্যক্ষ প্রভঞ্জন মণ্ডল-সহ দ্বীপের আরও অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং স্থানীয়রা পরীক্ষার্থীদের বিদায় জানাতে জেটিঘাটে পৌঁছন। এই দৃশ্য মন কেড়েছে সকলের।





