বক্সা পাহাড়ে তিনটি বুথে ভোটগ্রহণ হয়। বক্সা দুর্গ, চুনাভাটি ও আদমা- নির্বাচনের আগের দিন এই তিন ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে ভোটকর্মীদের পৌঁছে যেতে হয়। এই তিনটি বুথ মিলিয়ে মোট ভোটদাতার সংখ্যা ২ হাজার। এই বুথ তিনটির অবস্থান সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২৭০০ ফুট উচ্চতায়। এখানে পৌঁছতে হলে, আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পাকদণ্ডী বেয়ে পায়ে হেঁটে ওঠা ছাড়া দ্বিতীয় কোনও বিকল্প নেই।
advertisement
সান্তলাবাড়ির জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত গাড়ি যায়। তারপর ভোটগ্রহণ কেন্দ্রগুলিতে হেঁটে যেতে হয়। বক্সা দুর্গে পৌঁছতে পায়ে হেঁটে ছয় কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়। অন্যদিকে আদমা এবং চুনাভাটিতে পৌঁছতে গেলে হাঁটতে হয় কমপক্ষে দশ কিলোমিটারেরও বেশি দুর্গম রাস্তা। সব মিলিয়ে, বক্সা পাহাড়ে ভোট গ্রহণের কথা জানলেই রীতিমতো ভয়ে থাকেন ভোটকর্মীরা।
ভোটগ্রহণের আগের দিন বক্সা পাহাড়ে গেলে দেখা যায়, ব্যালট বাক্স ও অন্যান্য সামগ্রী নিয়ে উপরে উঠছেন ভোটকর্মীরা। এতটা পথ অতিক্রম করা বয়স্ক ভোটকর্মীদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে ওঠে। বারবার জেলা প্রশাসনের কাছে এই অভিযোগ আসছিল। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারও বক্সা পাহাড়ের বুথগুলির কষ্টকর যাত্রা নিয়ে কথা বলেছিলেন। কিন্তু তাই বলে ভোটগ্রহণ বন্ধ করা তো সম্ভব নয়!
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে ডুয়ার্সকন্যাতে এক বৈঠক করে জেলাশাসক শেভালে অভিজিৎ তুকারাম জানান, “বক্সা পাহাড় যাওয়া কষ্টকর। তবে আমরা বয়সের দিকটি খেয়াল রাখছি। এবার বয়স কম এবং সুস্থ ভোটকর্মীদের বক্সা পাহাড়ে পাঠানো হবে।”





