TRENDING:

West Bardhaman News: বিনামূল্যে লক্ষাধিক টাকার চিকিৎসা! ক্লাবফুট নিরাময়ে আসানসোলের হাসপাতালের সাফল্য, ভিন জেলা থেকেও ছুটে আসছে রোগীরা

Last Updated:

West Bardhaman News: ক্লাবফুট নিরাময়ের ক্ষেত্রে পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল জেলা হাসপাতালের সাফল্য। বড় খরচের চিকিৎসা এখানে বিনামূল্যে হচ্ছে। জেলা তো বটেই, ভিনজেলা থেকেও অনেকে চিকিৎসার জন্য এখানে আসছেন।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
পশ্চিম বর্ধমান, সায়নী সরকারঃ ক্লাবফুট নিরাময়ে নজির গড়ছে পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল জেলা হাসপাতাল। বিনামূল্যে হচ্ছে লক্ষাধিক টাকার চিকিৎসা। ফলে শুধু আসানসোল নয়, বাইরের বিভিন্ন জেলা থেকেও বহু শিশু হাসপাতালে আসছে।
আসানসোল জেলা হাসপাতাল
আসানসোল জেলা হাসপাতাল
advertisement

শিশুর বাঁকা এবং বিকৃত পা-কে ‘ক্লাবফুট’ বলা হয়। অনেক শিশুর জন্মের সময় একটি বা দু’টি পা ভিতরের দিকে বাঁকা থাকে। সময়মতো চিকিৎসা না হলে ভবিষ্যতে হাঁটাচলা ও স্বাভাবিক জীবনযাপনে সমস্যা তৈরি হতে পারে। প্রতি হাজার নবজাতকের মধ্যে ১-২জন এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। কিন্তু প্রথম থেকে চিকিৎসার মাধ্যমে এই রোগ সারিয়ে তোলা সম্ভব।

advertisement

আরও পড়ুনঃ তবলা বাজিয়ে পড়াশোনা, বাবার চিকিৎসা, সংসারের দায়িত্ব! একা হাতে সামলাচ্ছেন সব, বাস্তবের দশভূজা কোলাঘাটের দেবর্ণা

একসময় সচেতনতার অভাবে প্রত্যন্ত এলাকার রোগীরা এই রোগ সরানো সম্ভব নয় বলে মনে করতেন। সেই কারণে অনেকে চিকিৎসার জন্য শিশুকে হাসপাতালে নিয়েই যেতে চান না। ধীরে ধীরে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমানে অনেকেই এই রোগের চিকিৎসার জন্য শিশুকে নিয়ে আসেন। কিন্তু বাইরে এই চিকিৎসা করাতে খরচ হতে পারে মোটা টাকা। কারণ এই রোগের চিকিৎসায় শিশুর পায়ে ৫-৬ বার প্লাস্টার করতে হয়। এছাড়াও একটি অপারেশনও করতে হয়। এর পাশাপাশি প্রতি ২-৩ মাস অন্তর পাল্টাতে হয় বিশেষ ধরনের জুতো। সব মিলিয়ে প্রায় খরচ লাখের কাছাকাছি। কিন্তু এই চিকিৎসাই এখন বিনামূল্যে আসানসোল জেলা হাসপাতালে হচ্ছে।

advertisement

View More

আসানসোল জেলা হাসপাতালে বিনামূল্যে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পনসেটি মেথডে ক্লাবফুটের চিকিৎসা হয়। গত ১০ বছরে প্রায় সাড়ে তিনশো শিশুর বাঁকা এবং বিকৃত পা সোজা করেছে এই হাসপাতাল। আসানসোল জেলা হাসপাতালের অস্থি বিভাগের চিকিৎসকদের চ্যালেঞ্জ ছিল, জন্মের পর ক্লাবফুটে আক্রান্ত শিশুদের সঠিক চিকিৎসায় মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফেরাতে হবে।

হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জন নির্ঝর মাজি বলেন, প্রতি হাজার নবজাতকের মধ্যে অন্তত ১-২ জন এই সমস্যায় আক্রান্ত হয়। ২০১৬ থেকে পনসেটি মেথডেই আসানসোল জেলা হাসপাতালে এই রোগের চিকিৎসা চলছে। জটিল বড় অস্ত্রোপচার ছাড়া ধাপে ধাপে এই রোগের চিকিৎসা করা হয়। সাধারণত পাঁচ সপ্তাহ ধরে নিয়মিত প্লাস্টার পরিবর্তন করা হয়। এরপর একটি ছোট টেনোটমি করা হয়। লোকাল অ্যানাস্থেশিয়া দিয়েই শিশুটির পায়ের পিছনে শিরার উপর অস্ত্রোপচার করা হয়। সবশেষে পা সোজা করতে বিশেষ ব্রেস বা জুতো পরানোর জন্য দেওয়া হয়।

advertisement

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
প্রধান শিক্ষকের বদলে স্কুলে ছড়ি ঘোরাচ্ছেন তাঁর স্ত্রী! নদিয়ার বিদ্যালয়ের সামনে ধর্না
আরও দেখুন

চিকিৎসক জানান, এই চিকিৎসা পদ্ধতিতে বেশ কয়েকমাসের মধ্যেই শিশুর পা ধীরে ধীরে সোজা হতে শুরু করে। জন্মের পর যত দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা যায়, ততই ভাল ফল পাওয়া যায়। এইসব কারণে বর্তমানে জেলার পাশাপাশি জেলার বাইরে থেকেও বহু মানুষ ক্লাবফুট চিকিৎসার জন্য আসানসোল জেলা হাসপাতালে আসেন।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
West Bardhaman News: বিনামূল্যে লক্ষাধিক টাকার চিকিৎসা! ক্লাবফুট নিরাময়ে আসানসোলের হাসপাতালের সাফল্য, ভিন জেলা থেকেও ছুটে আসছে রোগীরা
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল