সেই সংখ্যা এবারে এক লাফে ১০০-তে পৌঁছনোকে অনেকেই তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে ব্যাখ্যা করছেন। নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে একদিকে যেমন মহিলাদের প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে, তেমনই ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়ায় আরও শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা বজায় থাকবে। আগামী ২৯ এপ্রিল এই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। তার আগে নির্বাচন কর্মীদের প্রশিক্ষণ, বুথ পরিকাঠামো প্রস্তুতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গিয়েছে।
advertisement
নবদ্বীপ শহর তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সুজিত সাহা বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরেই নারী ক্ষমতায়নের ওপর জোর দিয়ে আসছেন এবং বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পের মাধ্যমে মহিলাদের এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন। তাঁর মতে, এবারের এই উদ্যোগ সেই ধারাবাহিকতারই প্রতিফলন। অন্যদিকে, সিপিআইএম প্রার্থী স্বর্ণেন্দু সিংহ এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বর্তমান সমাজে নারীরা প্রতিটি ক্ষেত্রেই নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন। নির্বাচন পরিচালনার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও তাঁরা দক্ষতার সঙ্গে সামলাতে সক্ষম হবেন বলেই তাঁর বিশ্বাস। বিজেপি প্রার্থী শ্রুতিশেখর গোস্বামীও এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তাঁর কথায়, “মাতৃশক্তির অগ্রগতি সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং এর ফলে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াও আরও শক্তিশালী হবে।” তবে সকলেই আশাবাদী নির্বিঘ্নেই সম্পন্ন হবে এই ভোট প্রকৃয়া। উল্লেখ্য, নদিয়া জেলায় মোট ১৭ টি বিধানসভা রয়েছে। যার মধ্যে তার মধ্যে পাঁচটি তপশিলি উপজাতি বিধানসভা কেন্দ্র। এরমধ্যে করিমপুরে ২৬২ টি, তেহট্টে ২৭৪, পলাশীপাড়ায় ২৫৬, কালিগঞ্জে ৩০৯, নাকাশীপাড়ায় ২৬২, চাপড়ায় ২৮৫ টি, কৃষ্ণনগর উত্তরে ২৭৩, নবদ্বীপে ২৭৬, কৃষ্ণনগর দক্ষিনে ২৩৮, শান্তিপুরে ২৬৫, রানাঘাট উত্তর পশ্চিমে ২৯০, কৃষ্ণগঞ্জে ২৯৭, রানাঘাট উত্তর পূর্বে ২৮২, রানাঘাট দক্ষিনে ৩০৮, চাকদহে ২৬৯, কল্যাণীতে ২৮২ এবং হরিণঘাটায় ২৫৮ টি মিলিয়ে মোট ৪৬৮৬ টি বুথ কেন্দ্র রয়েছে সমগ্র নদিয়া জেলা জুড়ে।
