মৃতের পরিবারের অভিযোগের পরিপেক্ষিতে সফিকুল ইসলাম আনসারির স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা ও তাঁর প্রেমিক মমতাজউদ্দিন সেখ ওরফে উজ্জ্বল সেখ-কে গ্রেফতার করেছে দেওয়ানদিঘি থানার পুলিশ। মৃতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, স্ত্রী ও কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে রবিবার সকালের দিকে মিলিকপাড়ায় উজ্জ্বল সেখের বাড়ি যায় সফিকুল। তারপর রাতে সেচ ক্যানাল থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় সফিকুলের দেহ পাওয়া যায়। ভারী কোনো বস্তু দিয়ে আঘাত করে হত্যা করার পর সফিকুলের দেহ সেচ ক্যানালে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পরিবারের।
advertisement
মৃতের মা বলেন, ‘সকাল ন’টা সাড়ে-নটা নাগাদ ছেলে, পুত্রবধূ ও শিশু তিনজন মিলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। উজ্জলের বাড়ি গেছিল। আমার রাতের বেলায় খবর পেলাম মারা গিয়েছে ছেলে। শুনলাম কিছুই করে মাথায় মেরেছে। মনে হচ্ছে খুন করা হয়েছে। ছেলে তামিলনাড়ুতে সোনার দোকানে কাজ করত ১৯ তারিখ ফিরে যাওয়ার কথা ছিল। চাইছি দোষীদের শাস্তি হোক।’
এক এলাকাবাসী জানাচ্ছেন, ‘হঠাৎ জানতে পারলাম এরকম একটা ঘটনা ঘটেছে। যে মারা গিয়েছে সে আবার সম্পর্কে জামাই হয়। শুনে খুবই খারাপ লাগছে। বন্ধুর বাড়িতে মিলিকপাড়ায় বেড়াতে গেছিল। ক্যানেলের ধারে বডি পাওয়া গেছে। মাথায় ভারী বস্তুর আঘাতের চিহ্ন ছিল বাকিটা ময়নাতদন্তের পরে বোঝা যাবে। মনে হচ্ছে খুন করা হয়েছে। চাই পুলিশ ঘটনা তদন্ত করুক এবং দোষীরা উপযুক্ত শাস্তি পাক।’
