পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান ২ ব্লকের খাঁড়গ্রামের চৌধুরী পরিবার। আজ থেকে প্রায় ১১৪ বছর আগে রামপদ চৌধুরী সরস্বতী পুজো শুরু করেছিলেন। আজও সেই পুরনো প্রথা মেনেই বাগদেবীর আরাধনা হয়ে আসছে। বর্তমানে পুজোর দায়িত্ব পরিবারের সদস্য প্রীতম রায়ের উপর। পুরনো প্রথা মেনে আজও ধুমধাম করে চৌধুরী পরিবারে পূজিতা হন দেবী। পুজো উপলক্ষে বাড়িতে হয় আত্মীয় সমাগম। পারিবারিক পুজো হলেও আনন্দে মেতে ওঠে গোটা গ্রাম।
advertisement
আরও পড়ুনঃ খারাপের অবসান ঘটিয়ে ভালর আহ্বান! তমলুকের সরস্বতী পুজোয় চমকপ্রদ থিম, ‘প্রতীক্ষা’য় মেতেছে আট থেকে আশি
আশেপাশের গ্রাম থেকেও বহু মানুষ পুজো দেখতে আসেন, প্রায় চার দিন থাকে প্রতিমা। চৌধুরী পরিবারের বর্তমান সদস্য প্রীতম রায় বলেন, প্রায় ১১৪ বছর আগে রামপদ চৌধুরীর হাত ধরে পুজোর সূচনা হয়। তারপর তাঁর পুত্র রামশঙ্কর চৌধুরী, দৌহিত্য প্রবীর রায়ের পরে ২০০৯ সাল থেকে পুজোর দায়িত্ব সামলে আসছেন তিনি। প্রতিবছরই ভিন্ন ভিন্ন রূপে পু্জিতা হন দেবী। প্রায় ২০ বছর ধরে পুতুন্ডা গ্রামের এক শিল্পী তৈরি করেন এই প্রতিমা।
শুধু প্রতিমাতেই নয়, ভাসানেও রয়েছে বিশেষত্ব। গোটা গ্রাম পরিক্রমা করে সূর্য ডোবার আগে দেবীকে ভাসান দেওয়া হয়। ভাসান শেষে রামপদ চৌধুরীর প্রচলন করা প্রথা মেনে আজও বাচ্চাদের হাতে চকোলেট ও চানাচুর দেওয়া হয়। পুজো ২ দিনের হলেও প্রায় ৪-৫ দিন থাকে প্রতিমা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সময়ের নিয়মে অনেক কিছুই বদলেছে, কিন্তু বদলায়নি খাঁড়গ্রামের চৌধুরী পরিবারের ভক্তি আর নিষ্ঠা। রামপদ চৌধুরী হাত ধরে শুরু হওয়া এই পুজো আধুনিকতার ভিড়ে আজও যেন পারিবারিক পুজোর ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। কারণ পুজোকে কেন্দ্র করে ঠিক আগের মতোই মেতে ওঠে গোটা গ্রাম।





