বিশেষ করে রঘুনাথপুর মহকুমার বেড়ো এলাকার দুই শিল্পী, উমাপদ বদ্যকর ও সঞ্জয় বদ্যকর এখনও নিষ্ঠার সঙ্গে এই প্রাচীন বাদ্যযন্ত্র পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করে চলেছেন। বেড়ো এলাকার দুই বাসিন্দা উমাপদ বদ্যকর ও সঞ্জয় বদ্যাকর জানান, এই বাদ্যযন্ত্র বাজানো মোটেও সহজ নয়। বিশেষ করে ট্রাম্পেট বাজাতে প্রচুর দম ও নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন হয়। অন্যান্য অনেক বাদ্যযন্ত্রের তুলনায় এটি সম্পূর্ণ আলাদা ধাঁচের এবং যথেষ্ট অনুশীলন ও দক্ষতা দাবি করে। প্রাচীন এই বাদ্যযন্ত্র বাজাতে পারা তাঁদের কাছে গর্বের বিষয়।
advertisement
উমাপদ বদ্যকর ও সঞ্জয় বদ্যাকর
তবে বর্তমান সময়ে আধুনিক সঙ্গীতের প্রভাব এবং প্রযুক্তি নির্ভর বিনোদনের বিস্তারের কারণে এই ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্রগুলোর চাহিদা অনেকটাই কমে এসেছে। তবুও উমাপদ ও সঞ্জয় বদ্যকর এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁদের লক্ষ্য, আগামী প্রজন্ম যেন এই ঐতিহাসিক বাদ্যযন্ত্র সম্পর্কে জানে, শেখে এবং এর গুরুত্ব উপলব্ধি করে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ব্রিটিশ আমলের এই প্রাচীন বাদ্যযন্ত্র আজ শুধু সঙ্গীতের মাধ্যম নয়, বরং পুরুলিয়া জেলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হয়ে উঠেছে। সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চললেও এর সুর আজও বহন করে ইতিহাসের স্মৃতি এবং এক সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ধারার পরিচয়।





