হুগলি জেলার তৃণমূলের অন্যতম পুরনো নেতা ছিলেন তপন দাশগুপ্ত। তাঁকে এবার টিকিট দিল না দল। সেখানে নিয়ে আসা হল আসন বদল করে বিদেশ বোসকে। দীর্ঘদিন ধরে শ্রীরামপুরের বিধায়ক ছিলেন চিকিৎসক সুদীপ্ত রায়। তাঁকে টিকিট দিল না তৃণমূল কংগ্রেস। সেখানে নিয়ে আসা হল নতুন মুখ তন্ময় ঘোষকে।
advertisement
আবার চুচুঁড়া আসনে অসিত মজুমদারকে প্রার্থী করল না তৃণমূল। নানা সময়ে তাঁর বক্তব্য নিয়ে নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এবার সেখানে নিয়ে আসা হল দেবাংশু ভট্টাচার্যকে। প্রাক্তন মন্ত্রী গোপাল দাস নাগের কন্যা, প্রাক্তন মন্ত্রী ও প্রাক্তন সাংসদ রত্না দে নাগকেও প্রার্থী করল না দল। বয়সজনিত কারণে সম্ভবত তিনি প্রার্থী হলেন না। সেখানে আনা হল সমীর চক্রবর্তীকে।
আরও পড়ুন: ‘এই বয়সে কেউ ঢাক বাজিয়ে বিয়ে করে…’ বিয়ের পর বদলে গিয়েছেন? সোজাসাপটা জবাব দিলেন দিলীপ!
আবার গত বিধানসভায় জেতা বলাগড়ের মনোরঞ্জন ব্যাপারী। উত্তরপাড়ায় জেতা কাঞ্চন মল্লিককে টিকিট দিল না তৃণমূল কংগ্রেস। তবে এবারও টিকিট পেলেন অরিন্দম গুইন, ইন্দ্রনীল সেন, স্নেহাশিস চক্রবর্তী, অসীমা পাত্র, স্বাতী খন্দকার, রামেন্দু সিংহ রায়, বেচারাম মান্না ও করবী মান্না।
প্রসঙ্গত, চমক এবার তৃণমূলের তালিকার পরতে পরতে! হিসেবে বলছে, ছাব্বিশের প্রার্থী তালিকায় মোট ৭৪ জন বিধায়ককে টিকিটই দিল না তৃণমূল৷ তালিকায় কাঞ্চন মল্লিকদের পাশাপাশি রইলেন চিরঞ্জিৎ চক্রবর্তী, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মতো বড় বড় নাম৷ রয়েছে তপন দাশগুপ্ত, জোৎস্না মান্ডি, তাজমুল হোসেন, অসিত মজুমদার, মাণিক ভট্টাচার্য, জীবনকৃষ্ণ সাহা, পরেশ পাল, স্বর্ণকমল সাহা, বিকাশ রায়চৌধুরী, বিবেক গুপ্তর মতো নামও৷
