প্রথমে ময়দা মেখে যন্ত্রের জালিতে ফেলে কাঁচা সিমাই তৈরি করছেন কারখানার শ্রমিকরা। তারপর তেল ও ডালডায় ভাজা হচ্ছে সেই কাঁচা সিমাই। দক্ষ হাতের পাকে প্রস্তুত করা হচ্ছে লাড্ডু ও লাচ্ছা। এরপর প্যাকেটবন্দি হয়ে সেসব চলে যাচ্ছে বিভিন্ন বাজারে। এই সিমাই ও লাচ্ছা তৈরির কারিগররা বেশিরভাগই আসেন বিহার ও উত্তরপ্রদেশের কানপুর থেকে। এবছরও এসেছেন তাঁরা। ওই দক্ষ কারিগররা নাওয়া খাওয়া ভুলে কাজ করে চলেছেন সিমাই তৈরির কারখানাগুলিতে। সকলেই ব্যস্ত সিমাই তৈরিতে।
advertisement
আরও পড়ুন: ভোটার কার্ড ছাড়াই দেওয়া যাবে ভোট! বীরভূম জেলাশাসক ধবল জৈন জানালেন বিকল্প ১১ নথির তালিকা
তিন-চার বছর ধরে সিমাই তৈরির কারখানায় কাজ করছেন এক কারিগর তিনি বলেন, এখন প্রচন্ড ব্যস্ততা। সকাল ৫ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে তাঁদের। কারণ এবছর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে সিমাইয়ের লাচ্ছার চাহিদা। কারখানাতেই একইভাবে তৈরি হচ্ছে মোটা সিমাই, সরু সিমাই, এক নম্বর ও দেড় নম্বর সিমাইয়ের মতো প্রায় পাঁচ রকমের সিমাই, ছোট ও বড় আকারের লাচ্ছা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
যদিও সেসব তৈরি হচ্ছে পাইকারি খদ্দেরদের অর্ডার অনুযায়ীই। ময়দা এবং তেল ওডালডার দাম বেড়ে যাওয়ায় এবছর উৎপাদিত দ্রব্য কিলো প্রতি ১০-১২ টাকা বাড়ানো হয়েছে। তাঁর কারখানায় তৈরি কাঁচা সিমাই প্রতি কিলো ৪৬ টাকা, ভাজা সিমাই কেজি প্রতি ৫৪ টাকা, লাচ্ছা কেজিতে ১০৫-১১০ টাকা দরে দেদার বিকোচ্ছে। চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যোগানের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে।





