সপ্তাহ দুয়েক আগে বাঘের মুখ থেকে বেঁচে ফিরেছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমার জি-প্লটের সত্যদাসপুরের বাসিন্দা বছর ৩২ এর এক মৎস্যজীবী বনু ভক্তা। কিন্তু এবার বাঘের মুখ থেকে আর বেঁচে ফেরা হল না পাথরপ্রতিমার ৩৬ বছরের অন্য এক মৎস্যজীবী জীবন ভক্তার।
আরও পড়ুন: ৫ দিন পরেই স্থান বদল শুক্রের! খুলে যাবে ৩ রাশির ভাগ্য, ধনসম্পদ বাড়বে
advertisement
পাথরপ্রতিমার রামগঙ্গা গ্রাম পঞ্চায়েতের ইন্দ্রপ্রস্থ আদিবাসী কলোনি এলাকা থেকে ১০-১১ জনের মৎস্যজীবীর একটি দল নৌকা নিয়ে কাঁকড়া ধরতে বের হয়। সুন্দরবনের কলস দ্বীপের জঙ্গল সংলগ্ন পশ্চিম বাদায় কাঁকড়া ধরার কাজে যান তাঁরা।
ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে আলাদা আলাদা জায়গায় মৎস্যজীবীরা জঙ্গল লাগোয়া এলাকায় কাঁকড়া ধরছিল। সেই দলের মধ্যে একটিতে জীবন ও তাঁর স্ত্রী দুর্গাও কাঁকড়া ধরার কাজ করছিলেন। আচমকাই সেখানে হাজির হয় রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার।
এরপর জীবনকে মুখে করে তুলে নিয়ে বনের মধ্যে চলে যায় বাঘটি। এরপর অন্যান্য মৎস্যজীবীরা জঙ্গলের মধ্যে থেকে জীবণের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে পাথরপ্রতিমা ঘাটে নিয়ে আসে। এরপর সেই দেহ নিয়ে পুলিশ ময়নাতদন্তে পাঠায়। বর্তমানে ওই মৎস্যজীবীর পরিবারের লোকজন সরকারের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন।
পাথরপ্রতিমার জি-প্লটের সত্যদাসপুরের বাসিন্দা জীবন গত চারবছর ধরে রামগঙ্গা পঞ্চায়েতের ইন্দ্রপ্রস্থে আদিবাসী কলোনিতে শ্বশুরবাড়িতে স্ত্রী, দুই সন্তান ও শাশুড়ির সঙ্গে একসঙ্গে থাকতেন। আর্থিক অনটনের মধ্যে তাঁদের দিন কাটত। পরিবারে লেগেই ছিল দৈনিক অনটন। মৃত মৎস্যজীবীর পরিবার ও প্রতিবেশীরা মৃতের স্ত্রী, শাশুড়ি ও নাবালক দুই সন্তানের বেঁচে থাকার জন্য প্রশাসন ও সরকারের সহযোগিতা প্রার্থনা করেছেন।
