মূলত হাতে তৈরি ফুলের সাজি, সূচিশিল্পে নির্মিত গৃহসজ্জার সামগ্রী, মহিলাদের মালা, কানের দুল, হ্যান্ডব্যাগসহ নানান আকর্ষণীয় জিনিসপত্র তৈরি করছেন তাঁরা। প্রতিটি সামগ্রীতেই ফুটে উঠছে নিখুঁত কারুকার্য ও সৃজনশীলতার ছাপ। সরকারি অনুষ্ঠান ও বিভিন্ন প্রদর্শনীতে এইসব পণ্য বিক্রির মাধ্যমে শ্যামলী ও তাঁর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মহিলারা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছেন। প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের মধ্যে সবিতা দাস ও ঝুমা রায় জানান, “বাড়িতে বসে চাকরির আশায় মানসিক যন্ত্রণা ভোগ করার বদলে যদি মেয়েরা নিজেদের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে এমন হাতের কাজ শুরু করেন, তবে তাঁরা অনেকটাই আর্থিকভাবে স্বনির্ভর হতে পারবেন।” তাঁদের কথায়, “শুধু স্বামীর উপার্জনের ওপর নির্ভর না করে এখন মহিলাদেরও সংসারের হাল ধরতে হবে এবং নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সাহস অর্জন করতে হবে।”
advertisement
একজন সাধারণ গৃহবধূ থেকে সফল উদ্যোগপতি হয়ে ওঠার এই যাত্রা নিছক ব্যক্তিগত সাফল্যের গল্প নয়, এটি সমাজে নারীর ক্ষমতায়নের এক অনন্য উদাহরণ। শ্যামলী সিনহার সংগ্রাম, পরিশ্রম ও আত্মবিশ্বাস প্রমাণ করে, অদম্য ইচ্ছাশক্তি থাকলে যে কেউ নিজের ভাগ্য নিজেই গড়ে নিতে পারে। শ্যামলী আজ বহু নারীর কাছে প্রেরণা।