দরিদ্রতার টানেই ৭০ বছরেও খাবার তৈরি করে দু-চারজন খরিদ্দার এর মুখে খাবার তুলে দিয়ে সামান্য অর্থ উপার্জন করেন বৃদ্ধা দিপালী ঘোষ। প্রায় চার বছর ঘর ছেড়ে ছোট্ট দোকানেই রাত কাটাচ্ছেন। সকাল থেকে রাত কঠিন লড়াই দারুন অর্থ কষ্ট, সামান্য পেটের খিদে নিবারণ এবং দুই থেকে তিনশ টাকার ওষুধ খরচের জন্যই হাড়ভাঙা পরিশ্রম করেন বৃদ্ধা। দুই ছেলে রয়েছে, তবু বৃদ্ধার খাবার খরচ এবং ওষুধ জোগাতে হোটেল চালান। এই হোটেল চালিয়ে ছেলেদের খাবার যোগাচ্ছেন তিনি। একজন মায়ের কঠিন লড়াই এর কথা লোকাল ১৮ -এ সম্প্রচারিত হয়। সেই খবর বিধায়কের নজর পড়তেই বিলম্ব না করেই তিনি সালকিয়া হরেগঞ্জ বাজারে বৃদ্ধার সেই ছোট্ট হোটেলে পৌঁছে যান, বিধায়ক গৌতম চৌধুরী।
advertisement
খবরের জেরে বৃদ্ধার ছোট্ট হোটেল ঘরটি মেরামতি কাজও শুরু হয়েছে। পাশাপাশি বৃদ্ধাকে সহযোগিতা করতে স্বয়ং বিধায়ক হাজির সেখানে। বৃদ্ধার ছেলেদের ডেকে বৃদ্ধ মাকে বাড়িতে রেখে তার সেবা করার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি নিজে সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন। স্থানীয় মানুষ বিধায়কের এমন ভূমিকায় প্রশংসায় পঞ্চমুখ। সাধারণ মানুষের অসহায় হওয়া তার খবর শুনে স্বয়ং বিধায়ক তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছে মানুষকে সাহায্য করার আশ্বাস দিয়েছেন। প্রশংসনীয় বলেই মনে করছেন মানুষ।