প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আজিমগঞ্জ যাওয়ার ট্রেনটি দু নম্বর প্ল্যাটফর্মে দেওয়া হয়েছিল। হঠাৎই একটি কামরা আগুনে জ্বলতে দেখা যায়। তা দেখে এগিয়ে আসে জেনারেল রেল পুলিশ ও রেল সুরক্ষা বাহিনীর কর্মী আধিকারিকরা। ওই কামরায় কোনও যাত্রী তখন ছিল না। তাই হতাহতের কোনও ঘটনা ঘটেনি। তবে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক আছে। কীভাবে আগুন লেগেছে খতিয়ে দেখছে রেলের আধিকারিকরা।দমকল বিভাগের আধিকারিক জানিয়েছেন, লোকাল ট্রেনটি কাটোয়া থেকে আজিমগঞ্জ যাওয়ার জন্য দু নম্বর প্ল্যাটফর্মে তৈরি ছিল। সেই সময় মাঝের একটি কামরায় এই আগুন লাগে। এক ঘন্টা কুড়ি মিনিটের চেষ্টায় আগুন পুরো নিয়ন্ত্রণে আনা গিয়েছে। বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে বলে দমকলের প্রাথমিক অনুমান। কাটোয়া ২ নম্বর প্লাটফর্মে আগুনে পোড়া কামরাকে ডেঞ্জার টেপ দিয়ে ঘিরে দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।
advertisement
বিহারের তরুণীর প্রেমে বীরভূমের গৃহবধূ! স্বামী, সন্তান ছেড়ে ডিভোর্সের আবেদন রামপুরহাট আদালতে
আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে এ ব্যাপারে বিস্তারিত তদন্ত হবে বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে। কারণ, শর্ট সার্কিট থেকে এত দ্রুত আগুন ছড়ানো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তাই ওই কামরায় কোনও অতি দাহ্য বস্তু ছিল কিনা বা আগুন লাগার সঙ্গে শর্ট সার্কিট ছাড়া অন্য কোনও কারণ রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হবে। রেলের উচ্চ পদস্থ একটি বিশেষজ্ঞ দল কাটোয়া স্টেশনে যাচ্ছেন। সেই দলে রেলওয়ে সেফটি বিভাগের আধিকারিকরাও থাকছেন। তাঁরা দগ্ধ কামরায় বিস্তারিত তদন্ত চালাবেন। শর্ট সার্কিট হয়ে থাকলে কোন ত্রুটির কারণে তা হলো, সেই ত্রুটি আগাম ধরা যায়নি কেন তাও খতিয়ে হবে।
