বাজেটের পর মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গিগ শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষা নেই। আমরা আমাদের সামাজিক সুরক্ষায় আনছি। আমরা পোর্টাল করছি। সেখানে তাঁদের আবেদন করতে বলব।’
রাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত এই প্রকল্পের আওতায় এক কোটি মানুষ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা পরিষেবা নিয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে ১৩,১৫৬ কোটি টাকার ক্যাশলেস চিকিৎসা সুবিধা পেয়েছেন রাজ্যের সাধারণ মানুষ এবং পুরো অর্থটাই এসেছে রাজ্য সরকারের বাজেট থেকে।
advertisement
আরও পড়ুন: ডেডলাইন ৫ মার্চ, ২৫% ডিএ দিতে রাজ্যের খরচ ১০,৪৬৮ কোটি টাকা! কত সরকারি কর্মী কত করে টাকা পাবে জানেন!
সরকারি সূত্রের দাবি, প্রকল্পটি শুধু সংখ্যা নয়, পরিষেবার মানেও এগিয়ে। একটি আধুনিক আইটি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে হাসপাতালগুলিকে দ্রুত অর্থপ্রদান করা হচ্ছে, ফলে রোগীরা পাচ্ছেন দ্রুত, নির্ভরযোগ্য ও ঝামেলাহীন পরিষেবা। সরকারি ও বেসরকারি– দুই ক্ষেত্রেই এই সুবিধা মিলছে সমানভাবে।
আরও পড়ুন: মার্চের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ দিতে হবে, অবসরপ্রাপ্তরাও কি এই সুবিধে পাবেন? বড় রায় আদালতের
গিগ কর্মী কাদের বলা হয়?
গিগ কর্মী হলেন এমন ব্যক্তিরা যাঁরা প্রথাগত পূর্ণকালীন চাকরির পরিবর্তে স্বল্পমেয়াদী, প্রকল্প-ভিত্তিক, ফ্রিল্যান্স বা অন-ডিমান্ড ভিত্তিতে কাজ করেন। তাঁরা নির্দিষ্ট কাজের বিনিময়ে পারিশ্রমিক পান, যেমন– উবর বা ওলা চালক, জোমাটো/সুইগি ডেলিভারি পার্টনার, ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক ডিজাইনার বা কন্টেন্ট রাইটার।
