রবিবার রানিচক সমবায় ভোটের ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর দেখা যায়, ৪৫ টি আসনের মধ্যে ২৮টিই জিতে গিয়েছে তৃণমূল। বিজেপির কার্যত ভরাডুবি হয়েছে। এরপরই ‘শঙ্কিত’ শুভেন্দু অধিকারীর এহেন বার্তা বলে মত রাজনৈতিক মহলের।
advertisement
হুমায়ুনের সঙ্গে নাকি বিজেপির গোপন আঁতাত রয়েছে, সেই নিয়ে বারবার মুখ খুলেছে তৃণমূল। কিন্তু শুভেন্দু সাফ জানালেন, ‘‘আমরা বিজেপি এলে বাবরের নাম মুছব, হুমায়ুনের নাম মুছব, জাহাঙ্গিরের নাম মুছব। কোনও মুঘল-পাঠানের নাম থাকবে না, সব মুছব। কোনও ছাড় নেই, বিজেপিকে বাংলায় আনুন।’’ সভা শুরু হলে ‘জয় শ্রী রাম’ রোল ওঠে। বিজেপির স্লোগানে চারদিক ভরে গিয়েছে তখন।
বিজেপি কর্মী তাপস বারিককে রাত দু’টোর সময় বাড়িতে তালাবন্ধ করে আটকে পেট্রোল ঢেলে পুড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে বলে মঞ্চ থেকে সরাসরি অভিযোগ তোলেন শুভেন্দু। তিনি জানান, ঘটনার পর ৭২ ঘণ্টা কেটে গিয়েছে, তারপরও কোনও তদন্ত হয়নি, গ্রেফতার তো দূরের কথা। তাঁর কথায়, ‘‘কর্মীরা সবাই মিলে তাপস বারিকের বাড়িতে গিয়েছি। সেখানে কান্নার রোল, চোখে দেখার মতো না। আমরা যাওয়ার পর পুলিশ আজ ফরেনসিক করেছে, ২৬ তারিখের মধ্যে গ্রেফতার করতে হবে। এটা আবেদন বলুন, হুঁশিয়ারি বলুন বা দাবি – সেটাই জানাচ্ছি পুলিশের কাছে।’’
শুভেন্দু বলেন, ‘‘বাংলায় পরিবর্তন দরকার, সৌমিত্র খাঁ বলেছেন দাদা সঙ্গে থাকলেই হবে। দাদা সঙ্গে আছে। সৌমিত্রকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘‘আমি বালু মাটির লোক, আপনি লাল মাটি। ৫৪টা আসনই দেব নরেন্দ্র মোদিকে। সব সাফ করে দেব।’’
কিন্তু কারা হামলা করল বিজেপি কর্মীর উপর, সেই প্রসঙ্গে কোনও বিশেষ রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তির নাম আনেননি শুভেন্দু। তিনি বলেন, ‘‘কে বা কারা করেছে, সেটা চোখে দেখেনি তাপস। তাই কোনও দল বা ব্যক্তির নাম তিনি পুলিশকে দেননি। ভারতীয় জনতা পার্টি কাউকে মিথ্যা মামলা করতে উৎসাহিত করে না। সততার উপর সংগ্রাম করে বিজেপি।’’
