এদিন বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি বিপুল পাঞ্চলির বেঞ্চ জানায়, কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থা কোনও দলের নির্বাচনী কাজে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। কিন্তু কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থা যদি বোনাফাইড কোনও সিরিয়াস অফেন্সের তদন্ত করে, কেন্দ্রীয় সংস্থাকে কি বাধা দেওয়া যায়? তারপরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়দের বিরুদ্ধে জারি হয় নোটিস৷ আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি৷ ৮ তারিখের সিসিটিভি ক্যামেরা এবং স্থানীয় এলাকার সিসিটিভি ফুটেজকে সংরক্ষণ করতে নির্দেশ আদালতের৷
advertisement
ঘটনার ঠিক একসপ্তাহ পর বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে শুরু হয় আইপ্যাক কাণ্ডে ইডি মামলার শুনানি৷ বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি বিপুল পাঞ্চলির বেঞ্চের সামনে সওয়াল শুরু করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা৷ এদিন শুনানির শুরুতেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ‘ঢুকে পড়ে নথি ছিনিয়ে নেওয়ার’ মতো গুরুতর অভিযোগ আনেন সরকারি কৌঁসুলি তুষার মেহতা৷
তিনি ইডির তরফে দাবি করেন, নির্দিষ্ট নথি নিয়ে, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়েই কয়লা কাণ্ডের তদন্তের সূত্রে আইপ্যাকের অফিসে অভিযান চালিয়েছিল ইডি৷ সরকারি আইনজীবীর অভিযোগ, ইডি-র তল্লাশি চলাকালীন রাজ্য পুলিশ আধিকারিকদের সাথে নিয়ে সেখানে ঢুকে পড়েন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আগেও পশ্চিমবঙ্গে ইডি-সিবিআইয়ের মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা সমস্যায় পড়েছেন৷
আরও পড়ুন :শিক্ষকের অভাব! নিজেরাই নিজেদের পড়াবে পড়ুয়ারা…এবার প্রাথমিক পড়ুয়াদের ক্লাসও ভিডিওয়
তুষার মেহতা বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী নথি ছিনিয়ে এনেছেন। তারপর উনি ঘোষণা করেছেন যা করেছেন ঠিক করেছেন। এটা চলতে দিতে থাকলে খারাপ নজির তৈরি হয়ে যাবে। কেন্দ্রীয় কর্মীদের মনোবল ভেঙে যাবে। এরকম রাজ্যের অধীনস্থ পুলিশ কর্মীরা ভাববেন, তাঁরা এভাবে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যেকোনও জায়গায় ঢুকে ছিনিয়ে আনতে পারে। আমি অনুরোধ করব এমন রায় দেওয়া হোক যেটা নির্দশন হয়ে থাকে। ওই পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। ডিপার্টমেন্টাল এনকোয়ারি শুরু করা হোক৷’’
