I-PAC ED Case in Supreme Court: ‘অত্যন্ত সিরিয়াস ঘটনা,’ I-PAC কাণ্ডে নোটিস জারি করবে সুপ্রিম কোর্ট...হাওয়ালার মাধ্যমে গোয়ায় টাকা! অভিযোগ ইডি-র
- Published by:Satabdi Adhikary
- news18 bangla
Last Updated:
সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা দাবি করেন, ‘‘হাওয়ালার মাধ্যমে গোয়ায় টাকা গিয়েছিল। আইপ্যাকের অফিসে আমরা গিয়েছিলাম। সব মিলিয়ে ১০টা জায়গায় অভিযোন চলছিল। অথোরাইজেশন লেটার ছিল।
advertisement
এদিন শুনানির শুরুতেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ‘ঢুকে পড়ে নথি ছিনিয়ে নেওয়ার’ মতো গুরুতর অভিযোগ আনেন সরকারি কৌঁসুলি তুষার মেহতা৷ তিনি ইডির তরফে দাবি করেন, নির্দিষ্ট নথি নিয়ে, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়েই কয়লা কাণ্ডের তদন্তের সূত্রে আইপ্যাকের অফিসে অভিযান চালিয়েছিল ইডি৷ সরকারি আইনজীবীর অভিযোগ, ইডি-র তল্লাশি চলাকালীন রাজ্য পুলিশ আধিকারিকদের সাথে নিয়ে সেখানে ঢুকে পড়েন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আগেও পশ্চিমবঙ্গে ইডি-সিবিআইয়ের মতো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকেরা সমস্যায় পড়েছেন৷
advertisement
তুষার মেহতা বলেন, ‘‘ইডি এখনও পর্যন্ত ৩০ হাজার কোটি টাকা উদ্ধার করে ভিকটিমদের ফিরিয়ে দিয়েছি। ইডি শুধু তদন্তের কাজই করে না, ভিকটিমদের হয়েও সওয়াল করে। আমাদের আধিকারিকেরাও আবেদন করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধেও এফআইআর করা হয়েছে৷’’ তিনি জানান, তৃণমূল যদিও দাবি করছে, এসআইআর-এ নথি নেওয়ার জন্য ইডি অভিযান চালিয়েছে, কিন্তু তা অনলাইনেই রয়েছে৷ কয়লা মামলার তদন্তেই ইডি আইপ্যাকে গিয়েছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।
advertisement
সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা দাবি করেন, ‘‘হাওয়ালার মাধ‍্যমে গোয়ায় টাকা গিয়েছিল। আইপ‍্যাকের অফিসে আমরা গিয়েছিলাম। সব মিলিয়ে ১০টা জায়গায় অভিযোন চলছিল। অথোরাইজেশন লেটার ছিল। থানাকে জানানো হয়েছিল৷ এমনকি বিল্ডিংয়েও ঢোকার সময় দেখানো হয়েছিল। কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ‍্য ছিল না অভিযানের। মুখ্যমন্ত্রী কেন এতটা আশঙ্কিত হয়ে গেলেন এবং বার্জ ইন করলেন ডিজিপি পুলিশ সহ শীর্ষ কর্তাদের নিয়ে। ১২:১৫য় ডিজিটাল এভিডেন্স ছিনিয়ে নিয়ে চলে যান তদন্তকারী অফিসারের থেকে। প্রচুর নথি নিয়ে যান৷ ডিজিপি এবং বাকি পুলিশের কর্মীদেরও সেকশন ১৭ -এর অথরিটি লেটার দেখানো হয়েছিল। তারপরও ওরা নথি ছিনিয়ে নেয়। অথচ, আইপ‍্যাকের তরফে কোনও অভিযোগ করা হয়নি৷’’
advertisement
এদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রা এবং বিচারপতি বিপুল পাঞ্চলির বেঞ্চের সামনে গত বৃহস্পতিবারের কিছু ছবি পেশ করা হয় সলিসিটার জেনারেলের তরফে৷ সেখানে পুলিশে ঘেরাও হয়ে ধর্নার ছবি ছিলও৷ সব দেখে শুনে বিচারপতি মিশ্রা বলেন, ‘‘অত‍্যন্ত সিরিয়াস ঘটনা। আমরা এই মামলা শুনব। আমরা নোটিস জারি করছি।’’
advertisement
অন্যদিকে, তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল৷ সিব্বল বলেন, ‘‘আইপ‍্যাক কারা সেটা ইডি জানে। সেখানে পার্টির একাধিক নথি, তথ‍্য সব রাখা থাকে। প্রশ্ন হল, নির্বাচনের মুখে সেখানে যাওয়ার প্রয়োজন কেন পড়ল? ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে শেষ কয়লা মামলার আবেদন হয়েছে। এতদিন ওরা করছিল? সব নথি কম্পিউটারে থাকে। সেটা ওরা নিয়ে গেলে দল নির্বাচনে লড়বে কীভাবে? দলের নেত্রী হিসাবে ওখানে যাওয়ার অধিকার তাঁর রয়েছে৷’’
advertisement
আদালতে কপিল সিব্বলের দাবি, ‘‘ইডি ৬টায় গিয়েছে। বেলা ১২টায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গিয়েছিলেন। চেয়ারম্যান হিসেবে ওঁর যাওয়ার অধিকার আছে। দলের নথি রক্ষা করতে। আমরাও অত‍্যন্ত ডিসটার্বড। কেন ইডি দু’বছর অপেক্ষা করে এমন একটা যায়গায় যাবে, যেখানে নির্বাচন সংক্রান্ত দলীয় নথি রয়েছে৷ সব নথি নিয়ে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। সকাল ৬টা থেকে ১২টা পর্যন্ত কোনও নথি সিজ করেনি?’’ প্রশ্ন তোলেন, সকাল ৬টা থেকে শুরু করে ১২টার মাঝে সিজার লিস্ট কেন তৈরি করতে পারেনি ইডি৷
advertisement
সিব্বল আদালতকে জানিয়েছেন, ওই দিন, আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের ল্যাপটপ, একটা আইফোন এবং কিছু নথি নিয়ে এসেছিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে দলের নথি থাকতে পারে। ইডি নিজের পঞ্চনামারই কন্ট্রাডিকটরি কথা বলছে৷ ওই অফিসে সব নথি রয়েছে সেটা ভালভাবে জেনেই নির্বাচন প্রক্রিয়া বিঘ্নিত করতে ইডি গিয়েছিলেন ওখানে বলে আদালতে দাবি করেছে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী।







