যদিও প্রায় ৯ বিঘা জমির উপর বিস্তৃত এই পুকুরটি বেশ রহস্যজনক। এমনটাই জানাচ্ছে স্থানীয়রা। পৈতৃক সূত্রে পুকুরের বর্তমান মালিক বাপি মাহাত জানাচ্ছেন, অতীতে একাধিকবার বালুরঘাটে খরা দেখা দিয়েছে। কিন্তু এই জলাশয়ের জল কখনও শুকায়নি।
আরও পড়ুনঃ বালুরঘাটের জাগ্রত ডাকাত কালী! মা তারার পরনে বাঘছাল, দীপান্বিতা অমাবস্যায় বৈষ্ণব মতে দেবীর আরাধনা
advertisement
সম্প্রতি পুকুরটির পাড় বাঁধানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। জল ছেঁচে ফেলার জন্য পাম্প মেশিন আনা হয়। পাম্প দিয়ে পুকুরের জল তোলা শুরু হতেই বেরিয়ে আসে ইটের প্রশস্ত সিঁড়ি। এই ইটের গঠন একেবারে অন্যরকম। সাম্প্রতিক সময়ের নয়। অনেকেই মনে করছেন, এই সিঁড়ি রহস্যের পিছনে কোন প্রাচীন ইতিহাস লুকিয়ে আছে। আর সেই ইতিহাস অনুসন্ধানের জন্য এগিয়ে আসতে হবে প্রশাসনকে। প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগের তরফে উদ্যোগ নিয়ে খনন এবং গবেষণা করলেই এই সিঁড়ির রহস্য সমাধান হবে।
তবে স্থানীয় ইতিহাসবিদদের মতে, বালুরঘাটের নাজিরপুর, কামালপুর বা যশাহারের মতো এলাকাগুলোতে প্রাচীনকালের বৌদ্ধ মঠ বা স্থাপত্য থাকার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। পুকুরের নীচের এই সিঁড়ি তেমনই কোন স্থাপত্য হতে পারে। তবে সিঁড়ির প্রকৃত রহস্য এখনও অজানা।
