জানা গিয়েছে, পেশায় ভ্যানচালক ৪৪ বছরের রফিক আলি গাজির বাড়ি মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভার ঘোলা নয়াপাড়ায়। এই আত্মহত্যার পর স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। আত্মহত্যার খবর শুনেই পুলিশ সেখানে পৌঁছয় এবং মৃতদেহ উদ্ধার করে ডায়মন্ড হারবার পুলিশ মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
এই আত্মহত্যার ঘটনায় পরিবারের দাবি, এসআইআরের নোটিস আসার পর থেকে আতঙ্কে ছিলেন রফিক আলি গাজি। তাঁর কাছে যে সমস্ত নথি ছিল সেগুলি জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু চূড়ান্ত তালিকায় তাঁর নাম আসেনি। এরপর থেকে হতাশায় ছিলেন তিনি।
advertisement
বাড়ির সদস্যদের কাছে সর্বদা এ নিয়ে হতাশার কথা বলছিলেন। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বুঝিয়েছিলেন বারবার। ২৮ তারিখ যে তালিকা বের হয়, তা দেখতেও যান তিনি। বাড়ি ফিরে আসার পর থেকে মনমরা ছিলেন। চূড়ান্ত তালিকায় রফিক আলির নাম বিচারাধীনের তালিকায় ছিল।
এরপর তিনি চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। এই ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছে রফিকের পরিবার। রফিক আলি গাজি এবং তাঁর পরিবারের পাঁচ জনের নাম বিচারাধীন তালিকায় রয়েছে। ১৪১ নম্বর বুথে আরও ১১১ জন বাসিন্দার নাম বিচারাধীনের তালিকায় রয়েছে।
আরও পড়ুন: এত লোকের কাজ করলেন, SIR-এর চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ খোদ AERO-র নাম, বিস্মিত গোটা ময়নাগুড়ি!
এই ঘটনার পর তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দুপুরে প্রতিবাদের ডাক দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য জামসিদুল ইসলাম সর্দার জানিয়েছেন, “সংখ্যালঘুদেরই বেশি বাদ দেওয়ার চক্রান্ত হয়েছে। নাম ২০০২ ভোটার তালিকায় থাকা সত্ত্বেও আমার নামটা বিচারাধীন। বাংলা জুড়েই এই অবস্থা।” ঘটনার জেরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।






