রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র এখনও সেই ভাবধারায় চলেন তিনি। নিজে গরিব পরিবার থেকে উঠে আসায় গরিব-দুঃখী অসহায়দের সেবা করেন। এটাই তাঁর কাজ বলে জানিয়েছেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী। এছাড়াও তিনি অবসর সময়ে ভালবাসেন বই পড়তে।
আর কোনও উপায় নেই? ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধ ট্রাম্পকে কেবলমাত্র দুটি বিকল্পের সামনেই দাঁড় করিয়ে দিল!
৪ গ্রহের বিরল সংযোগ এপ্রিলেই! কেরিয়ারে বিরাট সাফল্য, ভাল সময়, এপ্রিলেই কপাল খুলবে কোন ৫ রাশির?
advertisement
দীর্ঘ ৩৯ বছর তিনি শিক্ষকতা করেছেন। ফলে এলাকায় তিনি পরিচিত মাষ্টারমশাই নামেই। সাগর বিধানসভা কেন্দ্রে এক নামেই সবাই চেনে তাঁকে। ২০০১ সালে তিনি প্রথম বিধায়ক হন। ২০২১ সালে তিনি সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী হন।
এছাড়াও একাধিকবার গুরুত্বপূর্ণ পদ সামলেছেন তিনি। তৃণমূল কংগ্রেসের জেলার সব থেকে অনুভবী রাজনীতিবিদ তিনি। এখনও তিনি থাকেন অ্যাসবেস্টসের ছাউনি দেওয়া ঘরে।
আয়লা থেকে আমফান সমস্ত প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন তিনি। একবার ঘোড়ামাড়া দ্বীপে বিপর্যয়ের পর ত্রাণ দিতে বিরোধী নেতার সঙ্গেও পৌঁছে গিয়েছিলেন। তাঁর দাবি ছিল গরীব মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে।
তিনি সাগর সেতু চোখে দেখে যেতে চান। এই সেতু শেষ হলে সাগর দ্বীপের মানুষ কেমন উপকার পাবে সেই গল্প এখন সর্বদা সবার কাছে করেন তিনি। এবার নির্বাচনে তাঁর লড়াই বিজেপি ও সিপিআইএম এর সঙ্গে। তবে জেতার ব্যাপারে এখনও সেই তরুণ বঙ্কিমচন্দ্র হাজরার মত আত্মবিশ্বাসী প্রবীণ রাজনীতিবিদ।