TRENDING:

South Dinajpur: উত্তরবঙ্গের মুখোশ গ্রাম অভাবের অন্ধকারে নিমজ্জিত! জিআই ট্যাগেও ভাগ্য বদল হল না, মুখোশ থেকে মুখ ফেরাচ্ছেন শিল্পীরা

Last Updated:

South Dinajpur News: কুশমন্ডির মুখোশ গ্রাম আজ ঘোর আর্থিক সঙ্কটে নিমজ্জিত। ইউনেস্কো এবং রাজ্য সরকারের 'বিশ্ববাংলা'র হাত ধরে এই শিল্প আন্তর্জাতিক খ্যাতি পেলেও, শিল্পীদের ঘরে অভাবের অন্ধকার। ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে মুখোশ শিল্পীদের হাসি।

impactshort
ইমপ্যাক্ট শর্টসলেটেস্ট খবরের জন্য
advertisement
বালুরঘাট: পুরুলিয়া জেলার বাঘমুন্ডি ব্লকের অন্তর্গত চড়িদা গ্রামটি ‘মুখোশ গ্রাম’ নামে পরিচিত। এখানে শতাধিক পরিবার বংশপরম্পরায় ছৌ নাচের ঐতিহ্যবাহী মুখোশ তৈরির করে আসছে। চড়িদা গ্রামটি মূলত ছৌ-নাচের মুখোশের আঁতুড়ঘর হিসেবে বিখ্যাত। ২০১৮ সালে পুরুলিয়ার মুখোশ জিআই (GI) স্বীকৃতি লাভ করেছে। তবে পুরুলিয়ার মুখোশ গ্রাম ছাড়াও উত্তরবঙ্গের বুকেও রয়েছে আরও একটি মুখোশ গ্রাম। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুশমন্ডি (Kushmandi) ব্লকের মহিষবাথান। এখানকার মুখোশও পেয়েছে জিআই তকমা।
কুশমন্ডির মুখোশ গ্রাম
কুশমন্ডির মুখোশ গ্রাম
advertisement

মূলত স্থানীয় রাজবংশী ও সূত্রধর সম্প্রদায়ের শিল্পীরা গামার, নিম বা আম কাঠ দিয়ে তৈরি করেন। এই মুখোশগুলি ‘গোমিরা’ নাচে ব্যবহৃত হয়। ভারত সরকারের জিআই তকমা পেয়েছে মহিষবাথানের মুখোশও। তবে জিআই তকমাতেও ফেরেনি মুখোশ শিল্পীদের ভাগ্য। অনুন্নয়নের অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে শিল্পীদের ভবিষ্যৎ। বহু শিল্পী মুখোশ বানানো ছেড়ে অন্য পেশা বেছে নিচ্ছেন।

advertisement

আরও পড়ুনঃ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তীরের দিকে বাংলাদেশি জাহাজ! পেঁচিয়ে ছিঁড়ল কুলপির মৎস্যজীবীদের ‘সম্পদ’, ক্ষতিপূরণের দাবি

দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমন্ডিকে বলা হয় লোকসংস্কৃতি ও লোকশিল্পের বিচরণ ক্ষেত্র। বর্ষার মরশুম ছাড়া বছরের বাকি সময় কুশমন্ডি ব্লকের গ্রাম আলো করে রাখে গমীরা নাচ। তবে শিল্পের নেপথ্যে থাকা কারিগরদের জীবন আজ ঘোর আর্থিক সঙ্কটে নিমজ্জিত। ইউনেস্কো এবং রাজ্য সরকারের ‘বিশ্ববাংলা’র হাত ধরে এই শিল্প আন্তর্জাতিক খ্যাতি পেলেও, প্রান্তিক শিল্পীদের ঘরে আজও অভাবের অন্ধকার। ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে কুশমন্ডির মুখোশ শিল্পীদের হাসি।

advertisement

আরও পড়ুনঃ দূরপাল্লা ট্রেনের বাঙ্কারে শুয়ে যাত্রী, ডাকাডাকিতে সাড়া নেই! কাছে যেতেই আঁতকে উঠলেন রেলের সাফাইকর্মী, বালুরঘাট স্টেশনে হুলুস্থুল

সেরা ভিডিও

আরও দেখুন
পঞ্চায়েত এলাকা উন্নয়নে পুরসভা করার পরিকল্পনা! বিশেষ ভাবনা প্রার্থী ঋতুপর্ণা-র
আরও দেখুন

মুখোশ তৈরির মূল উপকরণ গামারি কাঠ। বর্তমানে এই কাঠের দাম আকাশছোঁয়া। যার ফলে উৎপাদন খরচ বহুগুণ বেড়ে গিয়েছে। পুঁজির অভাবে শিল্পীরা পেশা ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন। বাংলার এই প্রাচীন লোকসংস্কৃতি ও কাঠের কাজকে টিকিয়ে রাখতে হলে শিল্পীদের জন্য সরাসরি বিপণন ব্যবস্থা, সহজ শর্তে ঋণ এবং কাঁচামালের সরকারি ভর্তুকির ব্যবস্থা করা একান্ত প্রয়োজন। নচেৎ, অর্থাভাবে কুশমন্ডির ঐতিহ্যবাহী মুখোশ শিল্প ইতিহাসের পাতায় রয়ে যাবে।

advertisement

বাংলা খবর/ খবর/পশ্চিমবঙ্গ/
South Dinajpur: উত্তরবঙ্গের মুখোশ গ্রাম অভাবের অন্ধকারে নিমজ্জিত! জিআই ট্যাগেও ভাগ্য বদল হল না, মুখোশ থেকে মুখ ফেরাচ্ছেন শিল্পীরা
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল