স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জয়ন্ত কুমার দাস কোচিং সেন্টার চালাতেন। এলাকায় তিনি একজন পরিচিত ও জনপ্রিয় শিক্ষক হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন। তাঁর নিজস্ব কোচিং সেন্টারেই সরস্বতী পুজোর আয়োজন করা হয়েছিল।
আরও পড়ুনঃ পারিবারিক অশান্তির জেরে মাকে এলোপাথাড়ি কো*প! ছেলের হাতে মর্মান্তিকভাবে খু*ন মা, পলাতক অভিযুক্ত
advertisement
পুজো উপলক্ষে সকাল থেকেই কোচিং সেন্টারে ভিড় জমতে শুরু করে। সেই সময় মাইকে ঘোষণা করার দায়িত্বে ছিলেন জয়ন্তবাবু। এই কাজ করতে গিয়েই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। এই ঘটনায় দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানার অন্তর্গত পুরুষোত্তমপুর এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে।
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার পরেই ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন জয়ন্তবাবু। সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিরা সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উদ্ধার করে দ্রুত সাগর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ এবং ময়নাতদন্তের জন্য কাকদ্বীপ সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পাঠায়। প্রাথমিকভাবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েই মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান করা হলেও মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষা করা হচ্ছে। এই আকস্মিক ও মর্মান্তিক ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অল্পবয়সী একজন শিক্ষকের অকালমৃত্যুতে পরিবার, ছাত্রছাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দারা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।






