স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শরিফুল পাইক বাড়িতে আগ্নেয়াস্ত্র রেখেছে গ্রামে এমন খবর ছড়িয়ে পড়েছিল। এরপর বুধবার গাজিপুর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি আব্দুর রহিম মোল্লা এলাকাবাসীদের নিয়ে অভিযুক্ত যুবককে পাকড়াও করেন। তাঁকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ ধরে কুলপি থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুনঃ বাদামের খোসা আর মাটির বাঁশি! একেবারে নতুন রূপে ঐতিহ্যবাহী বাঁশি পুতুল, মুগ্ধ করছে হাওড়ার শিল্পীর হাতের কাজ

advertisement

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, আইএসএফের ইন্ধনে ওই যুবক এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র মজুত করছিল। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে স্থানীয় আইএসএফ নেতৃত্ব। পাল্টা সুর চড়িয়ে তাঁদের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস ভিত্তিহীন অভিযোগ করছে। এই ঘটনার সঙ্গে তাঁদের কোনও যোগ নেই।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে সেই আঁচ টের পাওয়া যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কুলপিতে আগ্নেয়াস্ত্র সহ এক যুবক পাকড়াও হতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূলের অভিযোগ, ধৃত যুবক আইএসএফের ইন্ধনে আগ্নেয়াস্ত্র মজুত করছিল। সেই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে স্থানীয় আইএসএফ নেতৃত্ব।

advertisement