পূর্বে বিভিন্ন প্রকার চাষের জন্য জলকর বাবদ কৃষকদের থেকে ১৭ টাকা প্রতি একর ইঞ্চি হারে সংগ্রহ করা হত এখন সেটা আর লাগবে না। ফলে কৃষকরা নিজের চাষের জমিতে যত ইচ্ছা জল দিতে পারবেন। নির্বাচনের আগে এই প্রচার কৃষকদের মনে ভাল সাড়া ফেলেছে।
advertisement
এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গে কৃষকদের সুবিধার জন্য রাজ্য সরকারের কৃষক বন্ধু প্রকল্পের সুবিধার কথাও জানানো হচ্ছে কৃষকদের। ১৮-৬০ বছর বয়সের কৃষকদের মৃত্যুতে ২ লক্ষ টাকার বিমা সুবিধা এবং ভূমিহীন কৃষকদেরও আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা রয়েছে। কৃষক বন্ধুতে নথিভুক্ত কৃষকরা খাদ্য ও সরবরাহ দফতরের মাধ্যমে সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পান। কৃষকদের জন্য জল সংস্থান ও সেচের ব্যবস্থা (যেমন- সোলার চালিত পাম্প) দেওয়ার বন্দোবস্ত করা হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এই সমস্ত কিছু আবেদনের জন্য নিকটবর্তী ব্লকের সহকারী কৃষি পরিচালকের অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হচ্ছে কৃষকদের। অথবা অনলাইনের মাধ্যমেও নাম নথিভুক্ত করলে কাজ হবে বলে জানানো হচ্ছে। এই প্রচারের জন্য জেলার প্রতিটি ব্লকে কৃষক সম্মেলন করা হচ্ছে। যেখানে কৃষকদের রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প সম্পর্কে বোঝানো হচ্ছে। তবে জলকর তুলে দেওয়ার বিষয়টি ভাল সাড়া ফেলেছে এলাকায়।






