বিষয়টির উপর গুরুত্ব দিয়ে রাজ্য সরকারের জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের তৎপরতায় বাড়িতে বাড়িতে জল পৌঁছে দেওয়ার কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কোথাও জল পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে দ্রুতগতিতে। ঠিক এরকম পরিস্থিতির মধ্যে ক্যানিং মহকুমা প্রায় ১৮ লক্ষ মানুষের বসবাস।ফলে চরম দুর্ভোগে মধ্যে এলাকার সাধারণ মানুষজন।

আরও পড়ুনঃ জীবন্ত মানুষকে মৃতদেহ সাজিয়ে ঘোরানো হয় গ্রাম! চলে হৈ-হুল্লোড়, আবির খেলা, বীরভূমের আজব গাঁয়ে ‘উদ্ভট’ এই প্রথা কেন পালিত হয় জানেন?

advertisement

জলের স্তর নীচে নেমে যাওয়ার ফলে পানীয় জলের কল থেকে তেমন ভাবে জল পড়ছে না। প্রায় দু’মাস হতে গেলে জলের সমস্যা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। অনেক জায়গায় কল আছে কিন্তু পানীয় জল নেই। মূলত ভূগর্ভস্থ জলের স্তর নেমে যাওয়ার কারণে এই সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে সুন্দরবনের প্রান্তিক এলাকাগুলোকে।

View More

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

advertisement

গ্রীষ্মকাল আসার আগে জল কষ্টের হাত থেকে যাতে এলাকার মানুষ মুক্তি পায় স্থানীয় প্রশাসনের তরফে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই জল কষ্টের সমস্যা মিটে যায় সেই চেষ্টা চলছে। কত তাড়াতাড়ি মিটবে এই পানীয় জলের সমস্যা, সেদিকেই তাকিয়ে সাধারণ মানুষ।