বাতাস ও মাটিতে যে খনিজ আছে সেগুলি গাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন জীবাণু রয়েছে। এই জীবনগুলোকে বিজ্ঞানীরা মাটি থেকে সংগ্রহ করে এরপর গবেষণা কেন্দ্রে নিয়ে গয়ে জীবাণু সারের রূপ দেওয়া হয়। যাকে বায়োফার্টিলাইজার বলা হয়।
advertisement
অর্থাৎ এই বায়োফার্টিলাইজার হল এক ধরনের জীবাণু। এই উপকারী জীবাণুগুলো মাটিতে প্রয়োগ করলে বংশবৃদ্ধি করে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে এবং গাছের পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করে। এই বায়োফার্টিলাইজার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন – রাইজোডিয়াম, যারা ডাল জাতীয় চাষের ক্ষেত্রে বা সরষে চাষের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। এই অণুজীব বা ব্যাকটেরিয়া গাছের শিকড়ে এক ধরনের গুটি তৈরি করে এবং সেখানে তারা বসবাস করে। গাছ থেকে তারা শর্করা জাতীয় খাবার নেয় এবং বাতাস থেকে নাইট্রোজেন আবদ্ধ রেখে বিভিন্ন প্রোটিন তৈরি করে গাছকে সরবরাহ করে।
ঠিক একই রকমভাবে জিন সলিউশন ব্যাকটেরিয়া, পটাশিয়াম ব্যাকটেরিয়া, সিলিকন ব্যাকটেরিয়া এই ধরনের বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া বায়োফার্টিলাইজার আকারে বাজারে পৌঁছে দিচ্ছেন কৃষি বিজ্ঞানীরা। রাষ্ট্রীয় কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের যোজনার অন্তর্গত একটি প্রকল্পের মাধ্যমে নিমপীঠ কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের গবেষণাগারে বায়োফার্টিলাইজার তৈরি শুরু হয়েছে। যার লক্ষ্য বছরে প্রায় পঞ্চাশ হাজার লিটার বায়োফার্টিলাইজার উৎপাদন করা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বর্তমানে নিমপীঠ কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের গবেষণা কেন্দ্র থেকে বছরে প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার লিটার বায়োফার্টিলাইজার তৈরি হচ্ছে। এই ধরনের জীবাণুসার যদি চাষিরা ব্যবহার করে তাহলে তাদের যে রাসায়নিক সারের উপর নির্ভরতা তা ৩০ শতাংশ কমে যাবে বলেই আশা কৃষি বিজ্ঞানীদের। তাতে তাদের চাষের খরচ অনেকটা কমে যাবে।





