ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সেই মর্মের নির্দেশিকা দিয়ে জানানো হয়েছে সাংসদকে। শুনানিতে হাজিরা দেওয়ার নোটিশ পেয়ে সাংসদ বাপি হালদার বলেন, নির্বাচন কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে সংখ্যালঘু ও এসসি-এসটিদেরকে টার্গেট করে এই ধরনের কাজ করছে।
advertisement
প্রসঙ্গত, এর আগে তারকা সাংসদ দেব, রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম, রাজ্যের বিধায়ক-মন্ত্রী জাকির হোসেনও পেয়েছেন এসআইআর শুনানির নোটিশ। এবার একইরকম নোটিশ পেলেন মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদার। আগামী সপ্তাহে নিজেদের বুথে নথিপত্র নিয়ে ডেকে পাঠানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: ভারতের কোন ‘রাজ্যে’ ছোটে সবচেয়ে ‘বেশি’ বন্দে ভারত ট্রেন জানেন…? শুনলেই চমকে যাবেন!
এদিকে শুনানির নোটিশ পেতেই সাংসদের বিস্ফোরক অভিযোগ। তৃণমূল সাংসদের অভিযোগ, সংখ্যালঘু ও তফসিলিদের হেনস্তার উদ্দেশে এটা আসলে বিজেপির পরিকল্পনা। মথুরাপুরের তৃণমূল সাংসদ ১৩৪, রায়দিঘি বিধানসভার ৬২ সৌদিয়াল এফপি স্কুলের ভোটার। আগামী ২৮ জানুয়ারি সংসদে বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনেই দুপুর ১২ টা থেকে আড়াইটের মধ্যে সাংসদকে মথুরাপুরের কৃষ্ণচন্দ্রপুর হাইস্কুলে শুনানিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে। তাঁর এবং বাবার নামের পদবিতে ক্ষেত্রে অমিল থাকার কারণ দেখিয়ে এই শুনানির নোটিস বলে বলা হয়েছে। সাংসদ বলেন, ”বাজেট অধিবেশনের প্রথমদিনে ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁকে শুনানিতে ডেকে হয়রান করার এই পরিকল্পনা বিজেপি করেছে।” এর তীব্র নিন্দা করেন তিনি।
