শুক্রবারের মধ্যেই রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলাশাসকদের। ইতিমধ্যই দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও মালদহ জেলা শুনানি বাড়াতে চেয়ে আবেদন করেছিল সিইও দফতরে। তবে এবার বিধানসভা ভিত্তিক রিপোর্ট চাইল সিইও দফতর। সেক্ষেত্রে দু থেকে তিনদিন সর্বোচ্চ শুনানির সময়সীমা বাড়াতে পারে কমিশন। এমনই সূত্রের খবর।
শুনানির সময়সীমা বাড়লে সেক্ষেত্রে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের সময়সীমাও পিছিয়ে যাবে। আগামিকালই শুনানির সময়সীমা বাড়ানো নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে বলেই কমিশন সূত্রে খবর।
advertisement
এদিকে, শুনানি শেষ হওয়ার আগেই ৫০ হাজার মানুষের নাম বাদ দেওয়ার সুপারিশ করল ইআরও-রা। এই ৫০ হাজার মানুষ কেউ শুনানিতে আসেননি। কোনও খোঁজও পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন তথ্যের উপর ভিত্তি করে নাম বাদ দিল নির্বাচন কমিশন। নো ম্যাপিংয়ে প্রায় ১০ শতাংশের বেশি ভোটার আসেননি। ঝাড়াই বাছাই করে তার থেকে বাদ দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। ম্যাপড ভোটার তাঁরা, অথচ আসেননি। সেখানেও খতিয়ে দেখার পর বাদ দেওয়া হয়েছে কয়েক হাজার ভোটারকে। FRRO-র পাওয়া তালিকা থেকেও বাদ দেওয়া হয়েছে। এই সংখ্যা তিন হাজার ছাড়িয়েছে। সব মিলিয়ে ৫০ হাজার ভুয়ো ভোটার বাদ বলেই কমিশন সূত্রে খবর।
কমিশন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত নোটিস জেনারেট হয়েছে ১ কোটি ৫১ লক্ষ ৯২ হাজার ৭৩৫ টি। শুনানি হয়েছে ১ কোটি ৩০ লাখ ভোটারের। ৮০ লক্ষ ডকুমেন্ট ভেরিফাই করে আপলোড করা হয়েছে বলেই কমিশন সূত্রে খবর।
