বুধবার সুপ্রিম কোর্টে কমিশনের নিয়োগ করা মাইক্রো অবজার্ভারদের নিয়ে একের পর এক বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গোটা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে নোটিসও দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এই পরিস্থিতিতে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানান, মাইক্রো অবজার্ভারদের নিয়ে যা অবস্থান, তা জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানাবে।
সূত্র মারফত খবর, এখনও পর্যন্ত নোটিশ জেনারেট হয়েছে ১ কোটি ৫১ লক্ষ ৯২ হাজার ৭৩৫ টি। শুনানি হয়েছে ১ কোটি ৩০ লাখ ভোটারের। ৮০ লক্ষ ডকুমেন্ট ভেরিফাই করে আপলোড করা হয়েছে বলেই কমিশন সূত্রে খবর।
advertisement
মালদা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা-সহ কয়েকটি জেলা শুনানির সময়সীমা বাড়াতে বলল কমিশনকে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শুনানির সময়সীমা রয়েছে। সেই সময় সীমা বাড়ানোর অনুরোধ কয়েকটি জেলার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে। এখনও শুনানি যা বাকি রয়েছে, ফলে তাতে ৭ ফেব্রুয়ারি শেষ করা সম্ভব নয় বলেই মনে করছে এই জেলাগুলি। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের তরফে এই প্রস্তাব পাঠানো হচ্ছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে। এমনটাই কমিশন সূত্রে খবর।
আরও পড়ুন- শুনানি শেষের আগেই বাংলায় বাদ আরও ৫০ হাজার মানুষের নাম! কারা তারা? এসআইআর নিয়ে বড় আপডেট
এদিকে, শুনানি শেষ হওয়ার আগেই ৫০ হাজার মানুষের নাম বাদ দেওয়ার সুপারিশ করল ইআরও-রা। এই ৫০ হাজার মানুষ কেউ শুনানিতে আসেননি। কোনও খোঁজও পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন তথ্যের উপর ভিত্তি করে নাম বাদ দিল নির্বাচন কমিশন। নো ম্যাপিংয়ে প্রায় ১০ শতাংশের বেশি ভোটার আসেননি।
