এ বিষয়ে আরটিও আধিকারিক দিলীপ মাহাতো বলেন, “সারা বঙ্গ জুড়ে টোটোর সমস্যা রয়েছে। তাই পুরুলিয়া শহরে আমরা টোটো নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এটা যদি আমরা সফল হই তাহলে সমস্ত জায়গাতেই টোটো চলাচলের উপর হ্রাস টানা যাবে। যানজটের সমস্যা মিটবে।”
advertisement
এ বিষয়ে টোটো চালকেরা বলেন, “টোটো নিয়ন্ত্রণের জন্য যে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে তাতে তারা সহমত। এতে তাদের কাজ করতে যেমন সুবিধা হবে তেমনই শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণে থাকবে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পুরুলিয়া শহরে লোকসংখ্যা প্রায় দু’লক্ষের বেশি। এতে পরিবহণ ব্যবস্থার উপর প্রবল চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। এর উপরে শহরে প্রায় ছয় থেকে সাত হাজার টোটো চলছে। তাদের মধ্যে অনেক টোটোর রেজিস্ট্রেশন নেই। এক্ষেত্রে যানজট নিয়ন্ত্রণ করা একটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে প্রশাসনের কাছে। তাই এই কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করল পৌরসভা ও প্রশাসন। এখন দেখার বিষয় এই ব্যবস্থা কতটা সুদূরপ্রসারী হয়।





