ছৌ নৃত্যের প্রতি অগাধ ভালবাসা থেকেই তিনি নিজের উদ্যোগে একটি ছৌ নৃত্য দল গঠন করেছিলেন। এই দলের মাধ্যমে বহু তরুণ শিল্পী প্রশিক্ষণ ও দিশা পেয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে আর্থিক অনটন ও পারিবারিক চরম অর্থসংকটের কারণে কাশীপুরের ঢোলকাটা গ্রামের এই শিল্পী আজ তাঁর প্রিয় পেশা থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখতে বাধ্য হয়েছেন। তবুও তাঁর মানসিক দৃঢ়তা বা সংস্কৃতির প্রতি ভালবাসায় কোনও ভাটা পড়েনি।
advertisement
তারাপদ কৈবর্ত্য
তারাপদ কৈবর্ত্য দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, ছৌ নৃত্য শুধু একটি শিল্প নয়, এটি পুরুলিয়া জেলার মানুষের গর্ব, তাদের সাংস্কৃতিক পরিচয়। এই ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখা আজও সমানভাবে প্রয়োজন। অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, এত বছরের অবদান সত্ত্বেও তিনি বর্তমানে কোনও শিল্পী ভাতা পান না। তাঁর একান্ত আবেদন, যদি সরকার বা জেলা প্রশাসন তাঁর দিকে দৃষ্টিপাত করে, তবে তিনি আবারও নিজের পুরনো ছন্দে ফিরে এসে ছৌ নৃত্যের জগতে সক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারবেন। আর্থিক সমস্যা তাঁর পথের বড় বাধা হলেও তাঁর সংকল্প অটুট।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
পুরুলিয়ার ছৌ শিল্পী তারাপদ কৈবর্ত্য আজকের দিনে দেশের সাংস্কৃতিক দৃষ্টিকোণ থেকে একটি অনুপ্রেরণা। তাঁর স্বপ্ন, পুরুলিয়া তথা ভারতের সাংস্কৃতিক অবস্থা আরও জাগ্রত এবং বিকশিত হোক, যা আমাদের সকলের জন্য গর্বের বিষয়।





