দীর্ঘদিন ধরে পুরুলিয়ার ইতিহাস, সংস্কৃতি, লোকজ জীবন ও সাহিত্যচর্চা নিয়ে নিরলস গবেষণা করে গিয়েছিলেন দিলীপ কুমার গোস্বামী। তাঁর লেখা বইগুলির আজও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে পাঠকসমাজে। সেই চাহিদার কথা মাথায় রেখেই বইগুলির পুনর্মুদ্রণ ও আরও বিস্তৃতভাবে প্রচারের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: ২৫০ টাকা দরেও কাড়াকাড়ি! ধান-পাটের বদলে বাড়িতেই ‘সাদা সোনা’ ফলিয়ে রাতারাতি ভাগ্য বদলালেন মালদহের চাষি
advertisement
এই প্রসঙ্গে কানাই গোস্বামী বলেন, “পুরুলিয়াকে আরও ভালভাবে মানুষের কাছে তুলে ধরাই ছিল আমার দাদার স্বপ্ন। সেই স্বপ্নপূরণ করার দায়িত্ব এখন আমাদের। আজও তাঁর বইয়ের চাহিদা প্রচুর। কীভাবে সেই বইগুলি আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। আগামীদিনে কীভাবে তার এই বইগুলি জেলার পাশাপাশি রাজ্যেরও বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দেওয়া যায় সেই চেষ্টাও আমাদের রয়েছে।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সাহিত্য ও গবেষণার মাধ্যমে পুরুলিয়ার পরিচিতি রাজ্য তথা দেশের নানা প্রান্তে পৌঁছে দিতে প্রয়াত দিলীপ কুমার গোস্বামীর অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর স্মৃতি ও কর্মকে জীবন্ত রাখার লক্ষ্যে কানাই গোস্বামীর এই উদ্যোগ পুরুলিয়ার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রে এক অনন্য ও গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন বলে মনে করছেন সাহিত্যপ্রেমীরা।





