নারীর শিক্ষা, আত্মসম্মান ও স্বাধীনতার গুরুত্বের মতো বিষয়গুলি অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে নিজের লেখনীতে তুলে ধরেছেন সুমিতবাবু। শহর থেকে শুরু করে গ্রামবাংলার প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত তাঁর লেখা মানুষকে নতুন করে ভাবতে শেখাচ্ছে, বদলাতে অনুপ্রাণিত করছে সমাজের প্রচলিত দৃষ্টিভঙ্গি।
advertisement
এই প্রসঙ্গে কবি বলেন, “আমি চাই সমাজ বদলাক। বন্ধ হোক বাল্যবিবাহ, বন্ধ হোক কন্যাভ্রূণ হত্যা। নারীদের গুরুত্ব কতখানি সমাজকে বুঝতে হবে। আজ মেয়েরাও ছেলেদের সঙ্গে সমানভাবে এগিয়ে চলেছে, এই বার্তাই আমি পৌঁছে দিতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, সমাজে যে সকল ইতিবাচক ও কল্যাণকর কর্মকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে, সেগুলি আমাদের সামনে তুলে ধরা এবং ব্যাপকভাবে প্রচার করা জরুরি। কোথাও বাল্যবিবাহ সংঘটিত হলে তা প্রচারের পরিবর্তে, যেখানে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করা হয়েছে বা বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে, সেই সাফল্যের দৃষ্টান্তগুলি তুলে ধরা উচিত। এতে সমাজে সচেতনতা বাড়বে এবং ভাল কাজের প্রতি মানুষ আরও উৎসাহিত হবে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
নারী শিক্ষা ছাড়া সমাজের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়, এই দৃঢ় বিশ্বাস থেকেই সুমিতবাবুর সাহিত্যচর্চা। একজন কবির কলম সমাজ পরিবর্তনের এক শক্তিশালী মাধ্যম হতে পারে, তা বারবার প্রমাণ করে চলেছেন পুরুলিয়ার এই সাহিত্যসাধক। তাঁর এই প্রয়াস নিঃসন্দেহে সমাজ গঠনের পথে এক অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত।





