১৯৩৯ সালে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু কাশীপুরে একটি সভায় যোগ দিতে এসেছিলেন। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তে সেন পরিবারের প্রয়াত সদস্যা রেনুকাবালা সেন, তখন মাত্র ন’বছরের এক শিশু, নিজের হাতে নেতাজিকে মালা পরিয়ে সম্মান জানান। শিশুটির নিষ্পাপ সরলতা ও আন্তরিকতায় মুগ্ধ হয়ে নেতাজি তাঁকে স্নেহভরে নিজের কন্যার মতো আপন করে নিয়েছিলেন। সেই অল্প সময়ের সাক্ষাৎ আজও সেন পরিবারের কাছে এক অমূল্য স্মৃতি হয়ে রয়ে গেছে।
advertisement
আরও পড়ুন: শীতের আমেজ উধাও, হুগলিতে বাড়ছে পারদ! সরস্বতী পুজোয় কেমন থাকবে আবহাওয়া জানালো দফতর
এই স্মৃতির টানেই প্রতি বছর ২৩ জানুয়ারি এলেই স্বর্গীয়া রেনুকাবালা সেনের পুত্র মোহন সেন-সহ গোটা সেন পরিবার আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন। গর্বের সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের হৃদয় ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে, মনে পড়ে যায় অতীতের সেই সোনালি দিন, যখন ইতিহাসের এক মহানায়কের সঙ্গে তাঁদের পরিবারের এক আত্মিক বন্ধন গড়ে উঠেছিল। নেতাজির সঙ্গে সেন পরিবারের এই সম্পর্ক ইতিহাসের পাতায় যেমন উজ্জ্বল, তেমনই তাঁদের হৃদয়ে তা চিরস্মরণীয় হয়ে রয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তাই ২৩ জানুয়ারির আগে সেজে উঠছে কাশীপুরের সেন পরিবার। নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিন পালনের পাশাপাশি স্বর্গীয়া রেনুকাবালা সেনের স্মৃতিতে প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে পরিবারের সদস্যরা এবং কাশীপুরবাসী। স্মৃতি, শ্রদ্ধা আর দেশপ্রেমে ভর করে এই দিনটি তাদের কাছে হয়ে উঠবে এক অনন্য আবেগের উৎসব।





