উত্তর ২৪ পরগনায় অনুষ্ঠিত হওয়া এই রাজ্য স্তরের প্রতিযোগিতায় মাত্র সাত বছর বয়সেই এমন কৃতিত্ব অর্জন করায় অম্বিকার সাফল্যে আনন্দ ও গর্বে ভরে উঠেছে তার বিদ্যালয়, পরিবার এবং গোটা এলাকা। অম্বিকার এই সাফল্য শুধু তার পরিবার নয়, গর্বিত করেছে তার জন্মভূমি আড়রা গ্রামকেও।
advertisement
দ্বিতীয় শ্রেণির খুদে ছাত্রী অম্বিকা জানায়, এই সাফল্য অর্জন করতে পেরে সে খুবই আনন্দিত। সে জানায়, গত দু’বছর ধরে নিয়মিত যোগার প্রশিক্ষণ নিচ্ছে এবং ভবিষ্যতে যোগার মাধ্যমেই আরও বড় সাফল্য অর্জনের স্বপ্ন দেখছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
অম্বিকার বাবা চন্দন সূত্রধর মেয়ের এই কৃতিত্বে গর্ব প্রকাশ করে বলেন, “আমার মেয়ের এই সাফল্যে আমি খুবই আনন্দিত। একজন বাবা হিসেবে ভীষণ গর্ব অনুভব করছি।” তিনি আরও জানান, ছোটবেলায় তাঁর নিজেরও যোগার প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল, তবে নানা কারণে সেই স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব হয়নি। আজ মেয়ের সাফল্যের মধ্য দিয়ে তিনি যেন নিজের অপূর্ণ স্বপ্ন পূরণ হতে দেখছেন। খুদে অম্বিকার এই সাফল্য আগামী দিনে আরও অনেক শিশুকে যোগা ও ক্রীড়া চর্চায় উৎসাহিত করবে বলেই মনে করছেন এলাকাবাসী।





