পুরুলিয়া জেলার জয়পুর, আড়শা, বলরামপুর এবং ঝালদা ২ নং ব্লকের বিভিন্ন প্রান্তে এই বিশেষ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে জমির নমুনা সংগ্রহ করে দ্রুত ল্যাবরেটরিতে মাটির pH লেভেল, ফসফেট ও পটাশের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের মান যাচাই করা হয় এই শিবিরে। কৃষি বিশেষজ্ঞরা হাতে-কলমে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেন, কোন মাটিতে কতটা সেচ বা সার প্রয়োজন রয়েছে। প্রায় ১৫০০টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়, যার মধ্যে ৩০০ জন কৃষক ইতিমধ্যেই তাদের জমির ‘সয়েল হেলথ কার্ড’ হাতে পেয়েছেন। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই উন্নত পরিষেবা দেওয়া হচ্ছে কৃষকদের।
advertisement
পুরুলিয়ায় ভ্রাম্যমাণ মাটি পরীক্ষা শিবির
এ বিষয়ে লোক কল্যাণ পরিষদের জেলা সঞ্চালক ফাল্গুনী মাহাত বলেন, মাটির প্রাণ রয়েছে। তাই তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা প্রয়োজন। তা না হলে মাটির ধারণ ক্ষমতা কমে যাবে। বহু ক্ষেত্রেই রাসায়নিক সার প্রয়োগের কারণে মাটির স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যায়। এই ধরনের পরীক্ষা হলে কৃষকেরা অনেকটাই উপকৃত হবেন।
এ বিষয়ে ফিল্ড অফিসার সন্তু সিনহা মহাপাত্র বলেন, মাটি পরীক্ষা করে কৃষকদের সয়েল হেলথ কার্ড দেওয়া হচ্ছে এবং ওই মাটিতে কোন ফসল বেশি ফলন দেবে সে বিষয়ে কৃষকদের একটি ধারণা প্রদান করা হচ্ছে। কোন সার কতখানি ব্যবহার করলে চাষ ভাল হবে সে বিষয়ে কৃষকদের বোঝান হচ্ছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এলাকার এক কৃষক ইলা মাহাতো বলেন, যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তাতে তাদের অনেকটাই উপকার হবে। এতে তারা চাষের ক্ষেত্রে অনেকটাই সহযোগিতা পাচ্ছেন। সরকারের এই উদ্যোগের ফলে সারের অপচয় যেমন কমবে, তেমনই মাটির উর্বরতা বজায় রেখে বাড়বে ফসলের ফলন। আধুনিক কৃষির পথে এক অভিনব উদ্যোগ নেওয়া হল পুরুলিয়ায়।





