সোমবার হলদিয়ায় নন্দীগ্রাম কেন্দ্রের জন্য মনোনয়ন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী৷ মনোনয়ন জমা দিয়ে শুভেন্দু দাবি করেন, এসআইআর-এর ২০২১-এর তুলনানয় পর নন্দীগ্রামের মতোই ভবানীপুরেও তাঁর জয় অনেক সহজ হবে৷
এ দিন মনোনয়ন জমা দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘মানুষের যা উৎসাহ, মানুষ এখনই গিয়ে ইভিএম-এ ভোট দিতে চাইছেন৷ ভোটের পাটিগণিতে নন্দীগ্রাম কিছু কঠিন ছিল৷ কারণ তখন নন্দীগ্রামে ৬৪ হাজার সংখ্যালঘু ভোট ছিল৷ আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তখন সংখ্যালঘুদের সিএএ-কে এনআরসি বলে ভুল বুঝিয়েছিলেন৷ সংখ্যালঘুরা এখন বুঝেছেন, মোদিজি যখন আছেন তখন সুশাসন, সুরক্ষা তাঁরা পাবেন৷ আর হিন্দুরা তো অনেক ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন৷’
advertisement
ভবানীপুর নিয়ে বলতে গিয়ে বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘এসআইআর-এর পর তো ভবানীপুর বিজেপি-র হয়েই গিয়েছে৷ আমি জিতলে বিজেপি ভবানীপুরে প্রথম বার জিতবে এমন নয়৷ ২০১৪ সালে যখন মোদিজি প্রথম প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন, লোকসভা নির্বাচনে যখন তথাগত রায় প্রার্থী ছিলেন, ভবানীপুর বিধানসভায় বিজেপি ২০০০-এর বেশি ভোটে এগিয়ে ছিল৷ চুরি, চামারি, ছাপ্পা, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীর ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুরে জিততেন৷ এসআইআর-এর পর সেটা সম্ভব নয়৷ মোদিজি, নীতিন নবীনজি আমাকে ভবানীপুরে প্রার্থী করেছেন গুন্ডামি আটকানোর জন্য৷ ২৩ তারিখ পর্যন্ত নন্দীগ্রাম এবং গোটা রাজ্যে থাকব৷ ২৪ তারিখ সকাল থেকে ভবানীপুরে থাকব৷ ২৯ তারিখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর কাজ শেষ করে, স্ট্রং রুম সিল করে ভবানীপুর ছাড়ব৷ ৪ মে দেখা হবে৷’
বিজেপি সূত্রে খবর, ভবানীপুর আসনের জন্য ২ এপ্রিল মনোনয়ন জমা দেবেন শুভেন্দু অধিকারী৷ ভবানীপুর কেন্দ্রের জন্য মনোনয়ন জমার সময় শুভেন্দুর সঙ্গে উপস্থিত থাকতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ৷
