আশ্রম সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন শুধু আশ্রমে বড় হয়ে ওঠা অনাথ যুবক-যুবতীরাই নন, এলাকার দুঃস্থ পরিবারগুলির ছেলেমেয়েদেরও বিবাহের ব্যবস্থা করা হয়। আশ্রম চত্বরে আলাদা করে সাজিয়ে তোলা হয় ১৩টি বিয়ের মণ্ডপ। একযোগে শুরু হয় বেদমন্ত্র পাঠ, মালাবদল, অগ্নিসাক্ষী রেখে সাতপাক—সব রীতিনীতিই পালিত হয় নিয়ম মেনে।
সুপ্রিম রায় ‘অ্যান্টি-আমেরিকান’! ‘১০ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করছি!’ শুল্ক নিয়ে ফের ঘোষণা ট্রাম্পের
advertisement
নবদম্পতিদের জন্য আশ্রমের পক্ষ থেকে রীতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র, পোশাক, বাসনপত্রসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী উপহার হিসেবে তুলে দেওয়া হয়। অনেকের কাছেই এই সহায়তা নতুন সংসার শুরু করার বড় ভরসা। আশ্রম কর্তৃপক্ষের দাবি, দুঃস্থ পরিবারগুলির পক্ষে একসঙ্গে এত আয়োজন করা সম্ভব হয় না বলেই প্রতিবছর এই গণবিবাহের আয়োজন করা হয়।
বিবাহ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ছিল প্রীতিভোজেরও ব্যবস্থা। নবদম্পতিদের আশীর্বাদ জানাতে এবং অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ভিড় জমিয়েছিলেন আশপাশের গ্রামবাসীরাও। পুরো আশ্রম প্রাঙ্গণ উৎসবের আবহে ভরে ওঠে।
আশ্রম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, প্রতিবছরই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। সমাজের অসহায় ও অনাথ ছেলেমেয়েদের স্বাবলম্বী জীবনের পথে এগিয়ে দিতে এই গণবিবাহ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ বছর ১৩ জোড়া যুগলের বিবাহ সম্পন্ন হল একযোগে। আবেগঘন এই অনুষ্ঠানে বহু মানুষ সাক্ষী থাকলেন নতুন জীবনের শুরুর।
