শিশির অধিকারী মঞ্চ থেকে হাতজোড় করে বলেন, ”আমি ওই দলে (তৃণমূল) থেকে ভুল করেছিলাম। তাই সকলের কাছে ক্ষমা চাইছি।” এরপরই তিনি বলেন, ”মেদিনীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কত ক্ষমতা আছে আমি দেখব, নন্দীগ্রামে আমরা পরাজিত করেছি, এক সময় কোলাঘাট থেকে পালিয়ে যাচ্ছিলেন, ঘুরে আমি নিজে নিয়ে এসেছি। পূর্ব মেদিনীপুর চিনতেন না, নন্দীগ্রাম চিনতেন না, কাঁথি চিনতেন না, উনি যেখানে দাঁড়াবেন, সেখানেই হারবেন বলে তাকে চরম হুঁশিয়ারি দেন শিশির অধিকারী।
advertisement
পরিবর্তন সংকল্প যাত্রার কতটা ফসল ভোটবাক্সে তুলতে পারবে বিজেপি, তা নিয়ে অঙ্ক কষা শুরু হয়েছে। বিজেপির দাবি, পরিবর্তন যাত্রা অভাবনীয় সাড়া ফেলেছে। বুথস্তরের নেতা-কর্মীরা উজ্জীবিত হয়েছেন। নিশ্চিত ভাবেই ভোট-বাক্সে তার সুফল মিলবে। তৃণমূলের পাল্টা দাবি, প্রথমে মনে হয়েছিল এই কর্মসূচির মাধ্যমে বিজেপি হয়ত ভোটের হাওয়া তুলতে পারবে। কিন্তু পরিবর্তন যাত্রা কোথাও সাড়া ফেলতে পারেনি বলেই দাবি তৃণমূলের।
১ মার্চ শুরু হয়েছিল এই যাত্রা। চলেছে মঙ্গলবার, ১০ মার্চ পর্যন্ত। মাঝে দু’দিন দোল ও হোলির জন্য বন্ধ রাখা হয়েছিল এই কর্মসূচি। আট দিনের এই কর্মসূচিতে সব মিলিয়ে ২২ জন কেন্দ্রীয় নেতা হাজির হয়েছিলেন বাংলায়। তাঁরা কেউ বিজেপির সর্বভারতীয় পদাধিকারী, কেউ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, কেউ আবার রাজ্য স্তরের মন্ত্রী। তাঁদের সঙ্গে এই আট দিন বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে চষে বেড়িয়েছেন বঙ্গ–বিজেপি নেতা–নেত্রীরাও।
