পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারির বৈদ্যডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দার রজত বন্দ্যোপাধ্যায়। হাওড়ার উলুবেড়িয়া পূর্ব বিধানসভার মাইক্রো অবজ়ার্ভার ছিলেন তিনি। বর্তমানে তিনি মালদহ জেলায় ভারতীয় জীবনবিমা কর্পোরেশনে কর্মরত। কমিশন তাঁকে মাইক্রো অবজারভার হিসাবে নিয়োগ করেন উলুবেড়িয়া পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য। রজতবাবুর অভিযোগ, আমাকে কমিশন সন্দেহজনক ভোটারের তথ্য যাঁচায়ের দায়িত্ব দিয়েছিল, সেখানে কমিশন কাজের পুরস্কার হিসেবে আমাকেই তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দিল। এর প্রভাব শুধু আমার জীবনে নয়, আমার পরিবারের পরবর্তী প্রজন্মের উপরেও পড়বে। আমি অনলাইনে আমার পার্সপোটও আপলোড করেছি,তারপরও নাম বাদ দেওয়া হল।
advertisement
আরও পড়ুন: বয়সসীমায় ৫ বছরের ছাড়, ৪৫ দিনে সপ্তম বেতন কমিশন! সরকারি চাকরি নিয়ে তিন বড় ঘোষণা শাহের
সেখানকার বৈদ্যডাঙার বাসিন্দা ৩৮ বছরের রজত রাষ্ট্রায়ত্তব বিমা সংস্থার মালদহ ডিভিশন (২)-র ডেভেলপমেন্ট অফিসার (ডিও) হিসাবে কর্মরত। তিনি মাত্র ৬ মাস বয়সে মা মারা যাওয়ার পর মামার বাড়িতে বড় হয়েছেন। প্রোজোনি বা উত্তরাধিকার ভোটার হিসাবে তিনি দিদিমার নাম দিয়েছিলেন। কিন্তু দিদিমার সঙ্গে তাঁর বয়সের পার্থক্য ৩৮ বছর হওয়ার জন্যে তাঁকে শুনানিতে ডেকেছিল কমিশন। তিনি নথি হিসাবে পাসপোর্ট ও কেন্দ্রীয় বিমা সংস্থার পরিচয় পত্র জমা দিয়েছিলেন। ভোটার তালিকা বের হলে দেখা যায়, মেমারি বিধানসভার ১২৮ নম্বর বুথের ৩৪৩ নম্বরে নাম থাকা রজতের নাম ও ছবির উপর ‘ডিলিটেড’ শব্দ লেখা রয়েছে।
