আরও পড়ুন: বিশ্বকাপের মাঝেই ভারতীয় দলে বিরাট পরিবর্তন! দল থেকে বাদ অভিষেক শর্মা-সহ তিন তারকা
পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের বলগোনা বাজার এলাকার বাসিন্দা কুন্তল চৌধুরী, সেখানেই ছোট থেকে বড় হওয়া। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি রয়েছে তার আগ্রহ তাই এসেছে একের পর এক সাফল্য। ২০২৩ সালে বলগোনা শুশনদিঘী হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক পাস করে কুন্তল। মাধ্যমিকের রাজ্যের দ্বাদশ অর্জন করেছিল সে। এরপর ২০২৫ সালে ভাতার মাধব পাবলিক হাই স্কুল থেকে ৪৯৩ নাম্বার পেয়ে উচ্চ মাধ্যমিকে রাজ্যে পঞ্চম হয় কুন্তল। মাধ্যমিক পরীক্ষার পর থেকে তার ইচ্ছা ছিল কম্পিউটার সাইন্স নিয়ে পড়াশোনা করার। অষ্টম শ্রেনী থেকে শুরু করে পরীক্ষায় বসার প্রস্তুতি। দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়াশোনা করার সময় দুর্গাপুরের একটি কোচিং সেন্টার থেকে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল কুন্তল। কুন্তল জানায়, গত বছরও পরীক্ষায় বসেছিলাম কিন্তু আশানুরূপ ফল না হওয়ায় এবছর আবারও পরীক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেই। পড়াশোনাতেও কিছু পরিবর্তন এনেছিলাম। কোচিং সেন্টারের বদলে অনলাইন কোচিং ও সেল্ফ স্টাডির উপরে বেশি জোর দিয়েছিলাম।এবছর আশা ছিল ভালো ফল করব কিন্তু ভাবতে পারিনি রাজ্যে প্রথম হব। তার প্রাপ্ত পার্সেন্টাইল ৯৯.৯৯৮।
advertisement
আরও পড়ছি: রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপিতে যোগ দিলেন চার নেতা! রয়েছেন ক্ষিতি গোস্বামীর কন্যাও
আইআইটি বোম্বে থেকে কম্পিউটার সাইন্স নিয়ে পড়াশোনা করার ইচ্ছা রয়েছে কুন্তলের। বাবা সঞ্জীব চৌধুরী বিষয় প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক ও মা বাসন্তী চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা, তারাই তার জীবনের অনুপ্রেরণা বলে জানান কুন্তল। পড়াশোনার পাশাপাশি ক্রিকেট খেলতে ও ডিটেকটিভ গল্পের বই পড়তে ভালোবাসে সে। ছেটোবেলায় গান শিখলেও পড়াশোনার চাপে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
কুন্তল বলেন, “আমি ক্রিকেট খেলতে প্রচন্ড ভালোবাসি একাদশ শ্রেণী পর্যন্ত খেলেছি। তারপরে দ্বাদশ শ্রেণী থেকে পরীক্ষার জন্য ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছিলাম। তাই হয়ত প্রথমবার আশানুরূপ ফল পাইনি। আমি বলব আমার মত যারা আগামী দিনে পরীক্ষা দেবে তারা যদি কেউ প্রথম থেকেই ঠিক করে পরীক্ষায় বসবে, সে যেন নবম-দশম শ্রেণী থেকে প্রস্তুতি শুরু করে দেয় তাহলে ফল আরও ভাল পাবে”।
