আরও পড়ুনঃ মানহানি অভিযোগে আইনি চাপে মিমি চক্রবর্তী, বনগাঁ আদালতে তনয় শাস্ত্রীর হয়ে তরুণজ্যোতি তিওয়ারি মামলা
২০২৫ সালের এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর, এই নয় মাসে নাবালিকা মা হয়েছেন ৪৭০ জন। অর্থাৎ গত দু’বছর ধরে মাসে গড়ে পঞ্চাশেরও বেশি নাবালিকা প্রসবের জন্য ভর্তি হয়েছেন। এই তালিকায় ১৫ বছর বয়সি কয়েকজন কিশোরীও রয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মতে, বিষয়টি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই পরিসংখ্যান শুধু কালনা মহকুমার চিত্র নয়। মা হওয়া নাবালিকাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অংশ হুগলি, নদীয়া জেলা এবং ভিনরাজ্য থেকেও আসছেন। ফলে সমস্যাটি বৃহত্তর এলাকার সামাজিক বাস্তবতারই প্রতিফলন বলে মনে করছেন স্বাস্থ্যকর্তারা।নাবালিকা বিয়ে রুখতে প্রশাসনের তরফে ব্লক ও পুরসভা স্তরে বিশেষ নজরদারি দল গঠন করা হয়েছে।
advertisement
স্কুলে কন্যাশ্রী ক্লাব, গ্রামীণ হাট-বাজার, জনবহুল এলাকায় নিয়মিত সচেতনতা প্রচার চলছে। পুরোহিত, ইমাম, মৌলবি, ডেকরেটর, মাইক ও ক্যাটারিং ব্যবসায়ীদেরও সতর্ক করা হচ্ছে। তবু মোবাইলের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার, পরিবারে নজরদারির অভাব-সহ একাধিক সামাজিক কারণ সামনে আসছে। কালনা সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালের সুপার চন্দ্রশেখর মাইতি বলেন, প্রসবের জন্য এলে কোনও নাবালিকাকে ভর্তি নিতে অস্বীকার করার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে আলাদা কোনও নির্দেশিকাও নেই। তবে, প্রতিটি ক্ষেত্রেই পুলিশকে জানানো হয়। অনেক সময় অল্প বয়সে প্রসবের ফলে মা ও শিশুর শারীরিক ঝুঁকি বাড়ছে। তবে, মহকুমাজুড়ে সচেতনতা বৃদ্ধির কাজ অব্যাহত রয়েছে।






