ফলে তাঁর সামাজিক মান সম্মান নষ্ট হচ্ছে দাবি করেছেন কাঁথির ভূপতিনগর থানার ওই পুলিশ আধিকারিক। পূর্ব মেদিনীপুরের ভূপতিনগর থানার অধীন ইটাবেড়িয়া ফাঁড়ির ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম আর ২২ মাস পর অবসর নেবেন। তাঁর বাড়ি দাসপুর-১ নম্বর ব্লকের বাসুদেবপুর পঞ্চায়েতের সুন্দরপুর গ্রামে। তিনি লজিকাল ডিসক্রিপেন্সি বা তথ্যগত অসঙ্গতির নোটিশ পান। ১৯৮৪ সালে মাধ্যমিক পাশ করেন তিনি। নোটিশ পাওয়ার পর মাধ্যমিকের সার্টিফিকেট জমা
advertisement
করেছেন ওই পুলিশ আধিকারিক। তারপর শনিবার লিস্ট প্রকাশ হতে আমিনুল দেখেন, তাঁকে বিচারাধীন হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। আমিনুলের কাকার ছেলে মনিরুল ইসলাম কেন্দ্রীয় সংস্থার চাকরি থেকে স্বেচ্ছাবসর নিয়েছেন। তিনিও বিচারাধীন ভোটার। আমিনুলের নিজের ভাই সফিকুল ইসলামও কলকাতা পুলিশের এএসআই। তিনিও বিচারাধীন ভোটার। নাম ভুল থাকার কারণে তাঁরা নোটিশ পান। শুনানির সময় সব নথি জমা করার পরও বিচারাধীন। যা নিয়ে আমিনুল ইসলামের দাবি, তারা শিক্ষিত সম্ভ্রান্ত পরিবার। এসআইআরে ভোটার তালিকায় বিচারাধীন উল্লেখ থাকা সামাজিকভাবে মান-সম্মান নষ্ট হচ্ছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঠিক দেওয়ার পরেও এই বিচারাধীন বিষয়টি তাদের কাছে অসম্মানজনক বলে দাবি করেছেন ওই পুলিশ আধিকারিক।
