মুর্শিদাবাদ জেলার সামশেরগঞ্জ থেকে লালগোলা বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ ভাঙনে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এলাকা। এবার মিলল সুরাহা। জানা গিয়েছে, বাংলার বাড়ি প্রকল্পের অধীনে রাজ্যের ১ লক্ষ ২২ হাজারেরও বেশি যোগ্য উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ঘর তৈরির প্রথম কিস্তির টাকা পৌঁছানো শুরু হল। সেই সঙ্গে মুর্শিদাবাদ জেলার বন্যা কবলিত ২০০০ হাজার মানুষকে পাট্টা বিতরণ করা হয়।
advertisement
আরও পড়ুনঃ হিমঘরে সংরক্ষিত ভালবাসার ‘প্রতীক’! তাজা গোলাপের সুগন্ধে ভরে উঠুক কপোত-কপোতীর ভ্যালেন্টাইন্স ডে
এছাড়াও ১ লক্ষ ২৩ হাজার মানুষকে বাংলার বাড়ি গ্রামীণ প্রকল্পের টাকা দেওয়া হয়। গোটা রাজ্যের মধ্যে পাট্টার নিরিখে মুর্শিদাবাদ জেলা এক নম্বরে স্থান পেয়েছে।
মুর্শিদাবাদ জেলাশাসক নীতিন সিংহানিয়া এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, যাদের এতদিন বাড়ি ছিল না, ছিল না ঘর, ভাঙন-সহ বন্যায় ভিটেমাটি সব কিছুই চলে গিয়েছে তাদের জন্য পাট্টা দেওয়া হল। এছাড়াও বাংলার বাড়ি প্রকল্পের টাকা প্রদান করা হয়। মুর্শিদাবাদ জেলা বর্তমানে গোটা রাজ্যের মধ্যে এক নম্বরে আছে। এই পাট্টা পাওয়ার ফলেই উপকৃত হবেন সাধারণ প্রান্তিক মানুষেরা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
জানা গিয়েছে, দুয়ারে সরকার থেকে বিভিন্ন সময়ে প্রশাসনের কাছে পাট্টার জন্য আবেদন করেছিলেন মুর্শিদাবাদ জেলার বিভিন্ন জায়গার সাধারণ মানুষ। সমস্ত দিক বিবেচনা করেই দেওয়া হল এই পাট্টা।





