অন্য দিনগুলির মতো এদিনও বর্ধমান উত্তর মহকুমা শাসকের অফিসে এসআইআরের শুনানি চলছিল। সেই সময় মহকুমা শাসকের কাছে ৭ নম্বর ফর্ম জমা দিতে যায় বিজেপি নেতা কর্মীরা। মহকুমা শাসক বিধি মেনে ফর্ম জমা দেওয়ার পরামর্শ দেন। তা নিয়ে মহকুমা শাসকের অফিসে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। তা শুনে সেখানে পৌঁছয় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা কর্মীরা। দু’পক্ষই স্লোগান পাল্টা স্লোগান দিতে থাকে। খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ গেলে পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতি ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়ে বিজেপি কর্মীরা।
advertisement
আরও পড়ুন – Dream Of Civic Police: দায়িত্ব অনেক! সিভিকের ডিউটি করে স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখতে বদ্ধপরিকর বর্ষা ঘোড়াই
ফর্ম ৭ হলো ভোটার তালিকা থেকে মৃত, স্থানান্তরিত বা অযোগ্য নাম বাদ দেওয়ার আবেদনপত্র। বিজেপির অভিযোগ, প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে এই ফর্মগুলো গ্রহণ করছে না, যাতে অবৈধ বা ভুয়ো ভোটারদের নাম থেকে যায়। ইআরও-রা তৃণমূলের নির্দেশে ফর্ম নিচ্ছেন না। এটা ভুয়ো ভোটার রাখার চক্রান্ত।
নির্বাচন কমিশন ফর্ম ৭ জমার সময়সীমা বাড়িয়েছে। আগে ১৫ জানুয়ারি ছিল শেষ দিন, এখন ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। কমিশন স্পষ্ট করেছে, একজন ব্যক্তি একাধিক ফর্ম ৭ জমা দিতে পারেন, তবে ৫টির বেশি হলে যাচাই করা হবে।
তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ধমান শহরের সভাপতি তন্ময় সিংহ রায় বলেন, আমরা চাই একটিও বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়। যখন হাজার হাজার ভোটার শুনানির অপেক্ষা করছেন তখন বিজেপি মহকুমা শাসকের অফিসে ঢুকে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছিল। মহকুমা শাসকের অফিসে ঢুকে হুজ্জুতি করছিল তারা। সাধারণ মানুষ তাদের সেই অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে। বিজেপির কর্মীরা পুলিশের গায়ে পর্যন্ত হাত দিয়েছে। এই ঘটনার আমরা তীব্র নিন্দা করছি। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
