রায়গঞ্জের এই প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকায় ব্যাপক চাহিদার জারবেরা ফুল চাষ করছেন মানু রায়। তাঁর বাগানে বছরভর গ্রামের প্রায় ১৫ জন পুরুষ এবং মহিলা কাজ করেন। এখান থেকে রোজ গড়ে প্রায় ৪ হাজার জারবেরা ফুল উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন শহরে পৌঁছে যায়।
advertisement
জানা যাচ্ছে, মানুর বাগানে প্রায় ২৯ রকমের জারবেরা ফুল রয়েছে। এখানে বাইরের বিভিন্ন ফুল ব্যবসায়ীরা যেমন হাজির হন, তেমনই ফুলের সঙ্গে সময় কাটাতে আসেন বহু সাধারণ মানুষও। সব মিলিয়ে, মানুর বাগানের জন্য যেন নতুন একটি পরিচিতি পেয়েছে রায়গঞ্জের এই গ্রাম।
এই কৃষক জানান, ২০২১ সালে বাবা বুধুরাম রায়ের পরামর্শ মতো জারবেরার চাষ শুরু করেছিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্য নেন। এখন বাগানের কাজে প্রত্যক্ষভাবে ১৫ জন জড়িত। সকলেই স্বাবলম্বী।
রঙিন জারবেরা চাষের মাধ্যমে মানু যেমন রায়গঞ্জের কৃষিক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছেন, তেমনই বহু মানুষের সামনে আয়ের পথও খুলে দিয়েছেন। কেউ খাবারের দোকান, কেউ আবার সার ও কীটনাশকের দোকান খুলে উপার্জন করছেন। সেই সঙ্গেই বাগান দেখতে আসা মানুষের দৌলতে ভাল আয় করছেন এলাকার টোটো চালকরাও।
সব মিলিয়ে, জারবেরা চাষ করে নিজের পাশাপাশি আরও অনেকের আয়ের পথ সুগম করেছেন রায়গঞ্জের মানু। স্বনির্ভরতার দিশা দেখিয়ে তিনি বদলে দিয়েছেন বহু মানুষের জীবন।
