জানা যাচ্ছে, কম খরচে অধিক ফলনের একটি উপায় হল মালচিং পদ্ধতি। এটি মূলত চিন এবং জাপানের বিষমুক্ত সবজি চাষের একটি পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি। সেই সঙ্গেই এই পদ্ধতি বৈজ্ঞানিকও। এই মালচিং পদ্ধতিতেই টমেটো ফলিয়ে তাক লাগিয়েছেন রানা।
advertisement
বর্তমানে এই অভিনব পদ্ধতিতে চাষের দিকে ঝুঁকছেন বহু কৃষক। মালচিং পদ্ধতিতে টমেটোর পাশাপাশি করলা, লঙ্কা, তরমুজ, শসার মতো ফসল ফলানো যায়। এই পদ্ধতিতে উৎপাদিত ফসলের দাম ও চাহিদা দু’টোই বেশি হওয়ায় অনেক চাষি এই পদ্ধতিতে টমেটো ফলানো শুরু করেছেন।
মালচিং পেপারে সবজি চাষের সুবিধা সম্বন্ধে এক কৃষিবিদ জানান, এই পদ্ধতিতে টমেটো চাষ করলে জমিতে প্রায় ১০ থেকে ২৫ ভাগ অবধি আর্দ্রতা সংরক্ষণ সম্ভব। এইভাবে চাষ করলে প্রচুর ফলন হওয়ার বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এছাড়া এই পদ্ধতিতে কৃষিকাজ করলে জমিতে আগাছা হয় না। মালচিং পেপারে কার্বন থাকায় আর্দ্রতা ধরে রাখার পাশাপাশি সারের গুণাগুণও ঠিক থাকে। ফলে ভাল ফলন পাওয়া যায়।
সব মিলিয়ে, এই মালচিং পদ্ধতিতে চাষের বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে। তাই ধীরে ধীরে বাংলার বুকে এই কৃষি পদ্ধতির ব্যবহারও বাড়ছে।
