সেতুটি ইছামতি নদীর উপর নির্মিত, যা স্বরূপনগর ব্লকের গোবিন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এবং গাইঘাটা ব্লকের রামনগর গ্রাম পঞ্চায়েতকে সংযুক্ত করেছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ, স্কুল-কলেজ পড়ুয়া, কর্মজীবী, ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে রোগী – এই সেতুর উপর নির্ভর করে বনগাঁ ও বসিরহাটের মধ্যে সবচেয়ে কম সময়ে যাতায়াত করেন। কিন্তু সেতুর কাঠ নষ্ট হয়ে একাধিক স্থানে ফাঁক তৈরি হয়েছে।
advertisement
রেলিং ভাঙাচোরা, অনেক জায়গায় প্রায় নেই বললেই চলে। পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও নেই। সন্ধ্যার পর অন্ধকারে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। এদিন ওই সেতু পার হতে গিয়েই দুই ব্যক্তি পা ফসকে ইছামতির জলে পড়ে যান। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধারকাজে নামেন এবং তাদের নদী থেকে তোলেন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। এর আগেও একাধিকবার এই সেতু থেকে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
নদী থেকে উদ্ধার করা হচ্ছে ব্যক্তিকে
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, বহুবার প্রশাসনের কাছে নতুন পাকা সেতুর দাবি জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত স্থায়ী সমাধানের কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। সাময়িক মেরামতি করা হলেও তা টেকসই নয়। বনগাঁ ও বসিরহাটের মধ্যে দ্রুত যোগাযোগের জন্য এই পথই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ফলে ঝুঁকি জেনেও প্রতিদিন এই জরাজীর্ণ কাঠের সেতু ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এলাকাবাসীর একটাই দাবি, অবিলম্বে একটি পাকা ও নিরাপদ সেতু নির্মাণ করে দুর্ঘটনা রোধে ব্যবস্থা নিক প্রশাসন। নাহলে যে কোনও দিন বড়সড় বিপর্যয় ঘটতে পারে। ইছামতি নদীর কাঠের সেতু থেকে নদীতে পড়ছে দু’জন৷ একের পর এক দুর্ঘটনা, আতঙ্কে এলাকাবাসী।






