২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের তালিকায় রয়েছেন মোট ৫২ জন মহিলা প্রার্থী। এ বার যে যে তারকা তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন, তাঁদের অধিকাংশ এর আগেও প্রার্থী হয়েছেন। মন্ত্রীর দায়িত্বও সামলে এসেছেন।এদের মধ্যে এশিয়াডে সোনা জয়ী অ্যাথলিট স্বপ্না বর্মন কয়েকদিন আগেই তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন। তাঁকে রাজগঞ্জে প্রার্থী করা হয়েছে। তিনি এ বার প্রথম প্রার্থী হলেন। এছাড়া, মানিকতলায় প্রার্থী হয়েছেন শ্রেয়া পান্ডে। তিনি প্রয়াত তৃণমূল বিধায়ক সাধন পান্ডের মেয়ে। শ্রেয়া পান্ডে সিনে জগতের সঙ্গে যুক্ত। মহিলা প্রার্থী হিসাবে সিনে তারকার আরও এক মুখ বরানগর থেকে দাঁড়াচ্ছেন সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও, ভবানীপুর থেকে প্রার্থী হচ্ছেন স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
advertisement
ভোটের প্রচারে বাবা-মা দু’জনেই ঋতুপর্ণার পাশে থাকবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার রাত থেকেই প্রচার শুরু হয়েছে। সর্বক্ষণ ঋতুপর্ণার মা জ্যোৎস্না আঢ্য সঙ্গী ছিলেন তাঁর।
নজর রয়েছে আরেক প্রার্থীর দিকেও। তিনি মানিকতলা বিধানসভা কেন্দ্রে এবার কনিষ্ঠতম তৃণমূল প্রার্থী শ্রেয়া পান্ডে। ডোর টু ডোর ঘুরছেন তৃনমূল প্রার্থী। বাবা সাধন পান্ডের ওপর ভরসা ছিল লোকের। বাবা অপরাশেন থিয়েটারে ঢোকার সময় বলে ছিলেন ‘সুবিমলকে কম্বলগুলো দিস’। সেই ভালোবাসা যাবে কোথায়? ১০০% জেতার আশা শ্রেয়ার মনে।
তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরই সামনে আসছে একাধিক চমকপ্রদ তথ্য। তালিকায় দেখা যাচ্ছে, কয়েকটি ক্ষেত্রে প্রবীণ নেতা-নেত্রীরা টিকিট না পেলেও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের প্রার্থী করা হয়েছে। স্বর্ণকমল সাহা টিকিট না পেলেও তাঁর ছেলে সন্দীপন সাহাকে প্রার্থী করা হয়েছে। একইভাবে, নির্মল ঘোষের পরিবর্তে তাঁর পুরনো কেন্দ্রে ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষকে প্রার্থী করেছে দল। টিকিট পেয়েছে মমতাবালা ঠাকুরের মেয়ে মধুপর্না ঠাকুর, ক্ষিতি গোস্বামীর মেয়ে বসুন্ধরা গোস্বামী। উত্তরপাড়া কেন্দ্রে থেকে তৃণমূল প্রার্থী করা হল শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শীর্ষাণ্য শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে।
২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের আগে দল ছেড়ে দেন একাধিক তৃণমূল কংগ্রেস নেতা। ভোটে লড়ে জয় পেয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী, বিশ্বজিত দাস, মিহির গোস্বামীর মতো হাতে গোনা কয়েকজন। পরে অবশ্য বিধায়ক হয়ে একাধিক জনের মতো পুনরায় ফিরে আসেন বিশ্বজিৎ দাস।লহেরে গিয়ে আবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে চলে আসেন সব্যসাচী দত্ত, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়রা। যাদের দলে ফেরত আসাকে কটাক্ষ করে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব বারবার বলেছে, গিয়েছিল প্রাইভেট জেটে, দিদির কাছে ফিরতে চেয়েছিল অটো চেপে। এই সব নেতাদের আবার ভোটে লড়ার সুযোগ দিল তৃণমূল কংগ্রেস।
