নির্বাচন আগেও হয়েছে,তবে এবছর বিধানসভা নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মত পুলিশ মোট ৬ টি বিষয়ের উপর বিশেষ নজরদারি চালানো হবে। যার মধ্যে বুথ জ্যাম থেকে, ছাপ্পা ভোট, যে কোনও ধরনের ভায়োলেন্স, ইনফ্লুয়েঞ্জা, ভয় দেখানো, বহিরাগতদের আনাগোনা, স্থানীয় হোটেল, বিয়েবাড়িতে বাইরে থেকে আসা লোকজনের উপর শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে কড়াকড়ি ভূমিকা পালন করবে সমস্ত থানা। কোনওভাবেই হুমকি হুশিয়ারিতে ছাড় দেওয়া হবে না। পুলিশের নজরদারি চলবে বিভিন্ন সন্দেহজনক এলাকা, নাকা চেকিং চলবে, হাতে আছে একমাস দশদিন,পুলিশ প্রশাসন নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে বদ্ধপরিকর। এমনকি রাজনৈতিক দল থেকে প্রার্থীরা কোনওরকম থানার অনুমতি ছাড়া সভা র্যালি করতে পারবে না। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বাইক র্যালির উপর নিষেধাজ্ঞা থাকছে।
advertisement
তবে এই নির্বাচনে বুথ জ্যাম,ছাপ্পা ভোট,১০০ মিটারের মধ্যে কোনরকম জামায়েতের আনাগোনা,স্থানীয় কমিনিউটি হল,হোটেল,বিয়েবাড়ি গুলিতে বাইরে থেকে আসা লোকজন থাকতে পারবে না,পাশাপাশি হুমকি হুশিয়ারি উপর নজরদারি এবং কড়াকড়ি ভূমিকা নেবে পুলিশ প্রশাসন।
পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচ রাজ্যে ঘোষণা হল নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে বিকেল ৪টেয় সাংবাদিক বৈঠকে দিন ঘোষণা করলেন নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন ফুল বেঞ্চ। কলকাতায় ভোট হবে ২৯ এপ্রিল। প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গ ও জঙ্গলমহল ভোট। ১৬ জেলায় প্রথম দফায় ভোট। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, মালদহ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদ, দুই মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, বীরভূম। ৭ জেলায় দ্বিতীয় দফায় ভোট। কলকাতা, দুই পরগনা, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান।দ্বিতীয় দফাতেই হবে কলকাতার ভোট। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল আট দফায়। এ বার দুই দফায় ভোট হবে। কমিশন সূত্রে খবর, কম দফায় ভোট হলেও পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক হিংসার কথা মাথায় রেখে বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হবে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে কমিশন বদ্ধপরিকর। জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন, বাংলায় ভোটের দফা কমানোর প্রয়োজন ছিল যাতে সবার জন্য সুবিধা হয়৷ বিস্তারিত আলোচনার পর বাংলায় ভোটের দফা দু পর্যায়ে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷
